বিশ্ব ইজতেমা ২০২৭-এর তারিখ ও আয়োজন নিয়ে বিভ্রান্তিকর বক্তব্য প্রচারের প্রতিবাদ এবং টঙ্গী ইজতেমা ময়দানে ২০১৮ ও ২০২৪ সালে সংঘটিত হামলা ও প্রাণহানির ঘটনায় দায়েরকৃত মামলাগুলোর দ্রুত তদন্ত ও চার্জশিট দাখিলের দাবি জানিয়েছে ‘ওলামা মাশায়েখ বাংলাদেশ’।
রোববার (১১ আগস্ট) এক সংবাদ সম্মেলনে সংগঠনটির পক্ষ থেকে এ বিষয়ে সরকারের দৃষ্টি আকর্ষণ করে পাঁচ দফা দাবি উত্থাপন করা হয়।
সংবাদ সম্মেলনে বক্তারা বলেন, আল্লাহ তাআলার অশেষ মেহেরবানিতে বাংলাদেশে দ্বীনি কার্যক্রম পরিচালনা ও বিশ্ব ইজতেমার মতো বৃহৎ ধর্মীয় আয়োজনে সরকার সব সময় সহযোগিতামূলক ভূমিকা পালন করে আসছে। এ জন্য তাঁরা বর্তমান সরকার, সরকারপ্রধান, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী, ধর্মমন্ত্রী ও ধর্ম প্রতিমন্ত্রীর প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।
বক্তারা জানান, ২০২৭ সালের বিশ্ব ইজতেমা আয়োজনের বিষয়ে গত ১৮ আগস্টে অনুষ্ঠিত সরকারি সভার কার্যবিবরণী অনুযায়ী, বাংলাদেশের ওলামায়ে কেরামের তত্ত্বাবধানে ‘তাবলিগ জামাত বাংলাদেশ শুরায়ি নেজামের’ অধীনে দুই ধাপে ইজতেমা আয়োজনের সম্মতি দেওয়া হয়েছে। নির্ধারিত তারিখ অনুযায়ী প্রথম ধাপ ২০২৭ সালের ৮ থেকে ১০ জানুয়ারি এবং দ্বিতীয় ধাপ ১৫ থেকে ১৭ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।
সংবাদ সম্মেলনে ওলামায়ে কেরাম বলেন, ২০১৮ ও ২০২৪ সালে টঙ্গী ইজতেমা ময়দানে সংঘটিত সহিংসতার আগে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচারিত উসকানিমূলক বক্তব্য পরিস্থিতিকে উত্তপ্ত করেছিল। এসব ঘটনায় দায়ের করা মামলাগুলোর নিরপেক্ষ তদন্ত সম্পন্ন করে দায়ীদের দ্রুত বিচারের আওতায় আনার দাবি জানাই।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন মুফতি কেফায়াতুল্লাহ আজহারী। এ সময় অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন মাওলানা উবায়দুল্লাহ ফারুক, মাওলানা নাজমুল হাসান কাসেমী, মাওলানা লোকমান মাঝহারী, মাওলানা সালাউদ্দিন, মাওলানা আনিসুর রহমান এবং মিডিয়া সমন্বয়ক হাবিবুল্লাহ রায়হান।