হোম > বিশ্ব > যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডা

ইউক্রেনে যুদ্ধবিমান পাঠাবেন না বাইডেন

ইউক্রেনে যুদ্ধবিমান না পাঠানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। দেশটির প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন ইউক্রেনের কর্মকর্তাদের যুদ্ধবিমান পাঠানোর আহ্বানকে নাকচ করে দিয়েছেন। স্থানীয় সময় সোমবার সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছেন। ব্রিটিশ গণমাধ্যম বিবিসি এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে।

মাত্র এক দিন আগেই জার্মানির চ্যান্সেলর ওলাফ শুলজ বলেছেন, জার্মানি লেপার্ড ট্যাংক পাঠালেও ইউক্রেনে যুদ্ধবিমান পাঠাবে না। এরপর যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে যুদ্ধবিমান না পাঠানোর ঘোষণা এল।

এদিকে ইউক্রেন বারবার বলে আসছিল, রাশিয়ার সঙ্গে চলমান যুদ্ধে তাদের আকাশসীমা নিয়ন্ত্রণের জন্য যুদ্ধবিমান দরকার। এর জন্য ইউক্রেনের কর্মকর্তারা মিত্র দেশগুলোর কাছ থেকে যুদ্ধবিমান চেয়ে আসছিল।

বিশ্বের সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য যুদ্ধবিমানগুলোর একটি হচ্ছে এফ-১৬ যুদ্ধবিমান। বেলজিয়াম, পাকিস্তানসহ বেশ কয়েকটি দেশ এ ধরনের যুদ্ধবিমান ব্যবহার করে থাকে। তবে ইউক্রেন বর্তমানে সোভিয়েত আমলের যুদ্ধবিমানগুলো ব্যবহার করছে। এসব যুদ্ধবিমানের উল্লেখযোগ্য সংস্কার প্রয়োজন।

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন বারবার ইউক্রেনের যুদ্ধবিমানের আবেদন প্রত্যাখ্যান করেছেন। এর পরিবর্তে তিনি ইউক্রেনকে অন্যান্য সামরিক সহায়তা দেওয়ার দিকে মনোনিবেশ করেছেন।

গত সপ্তাহে যুক্তরাষ্ট্র ঘোষণা করেছে, তারা কিয়েভকে ৩১টি আব্রামস ট্যাংক পাঠাবে। যুক্তরাজ্য ও জার্মানিও একই ধরনের সামরিক সহায়তা পাঠানোর প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। ইউক্রেনের উপপররাষ্ট্রমন্ত্রী আন্দ্রি মেলনিক মিত্রদের এসব প্রতিশ্রুতিকে স্বাগত জানিয়েছেন। তবে তিনি মিত্র দেশগুলোকে একটি ‘যুদ্ধবিমান জোট’ গঠনের আহ্বান জানিয়েছেন, যে জোটের মধ্যে ইউরোফাইটার, টর্নেডোস, ফ্রেঞ্চ রাফালেস এবং সুইডিশ গ্রিপেন যুদ্ধবিমান থাকবে। 

তবে গত রোববার স্থানীয় গণমাধ্যমে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে জার্মানির চ্যান্সেলর ওলাফ শুলজ বলেছেন, ‘মাত্রই ইউক্রেনকে লেপার্ড-২ ট্যাংক দেওয়ার ব্যাপারে সিদ্ধান্ত হয়েছে। এখনই অন্যান্য সামরিক সহায়তা পাঠানোর ব্যাপারে আলোচনাটা অবাস্তব।’ 

নেদারল্যান্ডসসহ অন্যান্য ইইউ দেশ ইউক্রেনে যুদ্ধবিমান পাঠাবে কি না, সে বিষয়ে দেশগুলো এখনো নিশ্চিতভাবে কিছু জানায়নি। তবে পোল্যান্ড ইঙ্গিত দিয়েছে, তারা ন্যাটোর সঙ্গে সমন্বয় করে যুদ্ধবিমান সরবরাহ করতে প্রস্তুত রয়েছে। 

এদিকে ন্যাটোর বিরুদ্ধে ‘প্রক্সি যুদ্ধ’ চালানোর অভিযোগ তুলেছে মস্কো। দেশটি বলেছে, যুক্তরাষ্ট্র ও জার্মানিসহ অন্যদের সামরিক সহায়তা পাঠানো সংঘাতকে আরও বাড়িয়ে তুলতে পারে। 

চীনের উহান ল্যাবে তহবিল দেন বাইডেনের স্বাস্থ্য উপদেষ্টা, সেখান থেকেই ছড়ায় করোনা: মার্কিন গোয়েন্দা তথ্য

ট্রাম্পের কোটি ডলারের সৌন্দর্যবর্ধন প্রকল্প শেষ হতে না হতেই ধরা পড়ল ত্রুটি

‘শুধু হত্যাযজ্ঞ চালিয়ে জাতীয় নিরাপত্তা নিশ্চিত করা যায় না’, ইসরায়েলকে জে ডি ভ্যান্স

ইন্দো-প্যাসিফিক থেকে শুধু প্যাসিফিক কমান্ড, যুক্তরাষ্ট্রের কাছে ভারতের কৌশলগত গুরুত্ব কমছে!

মোদি শান্ত, ধীরস্থির এবং একজন জাঁদরেল খেলোয়াড়, আমি তেমন নই: ট্রাম্প

পছন্দ না হলে আবার হামলা শুরু করব—ইরান চুক্তি নিয়ে ট্রাম্প

ইরানের সঙ্গে চুক্তির নথি ইসরায়েলকে দেখাতে চায় না যুক্তরাষ্ট্র

আমি পাশে না থাকলে ইসরায়েলের কোনো অস্তিত্ব থাকবে না: ট্রাম্প

ইরানের সঙ্গে সম্পর্ক স্বাভাবিক হয়ে গেছে: ট্রাম্প

ট্রাম্প-ইরান চুক্তি: নেতানিয়াহুর সবচেয়ে বড় কূটনৈতিক দুঃস্বপ্ন