হোম > বিশ্ব > যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডা

মার্কিন হামলায় বেঁচে যাওয়া দুজনকে দ্বিতীয় আঘাতে হত্যা—ভিডিও ফাঁসে হইচই

আজকের পত্রিকা ডেস্ক­

ছবিটি ভিডিও থেকে নেওয়া। ছবি: এএফপি

ক্যারিবিয়ান সাগরে মাদকবাহী সন্দেহে একটি নৌকার ওপর মার্কিন সামরিক বাহিনীর হামলায় বেঁচে যাওয়া দুই ব্যক্তি নৌকার ভাঙা অংশ আঁকড়ে প্রায় এক ঘণ্টা পানিতে বেঁচে ছিলেন। পরে দ্বিতীয় হামলায় তাঁদের হত্যা করা হয়—এমন ভিডিও যুক্তরাষ্ট্রের সিনেটরদের হাতে পৌঁছেছে বলে রয়টার্সকে নিশ্চিত করেছে সংশ্লিষ্ট সূত্র।

ভিডিওতে দেখা যায়—দুই ব্যক্তি শার্টহীন, নিরস্ত্র এবং তাঁদের সঙ্গে কোনো যোগাযোগযন্ত্র ছিল না। সূত্র বলছে, তাঁরা জানতেই পারছিলেন না প্রথম আঘাত কোথা থেকে এসেছে কিংবা মার্কিন সামরিক বাহিনী যে তাঁদের হত্যা করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

২ সেপ্টেম্বরের ওই হামলার ফুটেজ এখন ওয়াশিংটনে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু। অনেকে বলছেন, এই হামলার নির্দেশদাতারা যুদ্ধাপরাধ করেছেন।

বিতর্কিত ওই হামলার ভিডিওটি দেখে ডেমোক্র্যাট কংগ্রেসম্যান জিম হাইমস এটিকে ‘অত্যন্ত উদ্বেগজনক’ বলে মন্তব্য করেছেন। তিনি বলেছেন, ‘ভিডিওতে এমন দুজনকে দেখা যায় যারা স্পষ্টতই বিপদে ছিলেন। তাদের কোনো অস্ত্র বা চলার উপায় ছিল না।’

আইন বিশেষজ্ঞরা বলছেন, আন্তর্জাতিক যুদ্ধবিধি অনুযায়ী জাহাজডুবি, আহত বা আত্মসমর্পণ করা ব্যক্তিদের হত্যা করা যুদ্ধাপরাধ। ট্রাম্প প্রশাসন এটিকে ‘মাদকবিরোধী যুদ্ধ’ হিসেবে প্রচারণা চালালেও মার্কিন আইনবিদদের একটি বড় অংশ এই যুক্তিকে আইনগতভাবে অগ্রহণযোগ্য বলে বিবেচনা করছেন।

বিশেষজ্ঞদের মতে, এই ধরনের অভিযান ভবিষ্যতে ‘আইনবহির্ভূত হত্যাকাণ্ডের বৈধতা’ তৈরি করতে পারে এবং এর জন্য জনসমক্ষে স্বচ্ছ তদন্ত ও জবাবদিহি জরুরি।

এর মধ্যেই বৃহস্পতিবার পেন্টাগন জানিয়েছে, পূর্ব প্রশান্ত মহাসাগরে আরেকটি সন্দেহভাজন নৌকায় হামলা চালালে চারজন নিহত হয়েছে। এ নিয়ে ক্যারিবীয় ও প্রশান্ত মহাসাগরে মার্কিন বাহিনীর হামলার সংখ্যা দাঁড়াল ২২টি এবং মৃতের সংখ্যা অন্তত ৮৭ টি।

মার্কিন সামরিক বাহিনী তাদের সর্বশেষ হামলার ভিডিও সামাজিক মাধ্যমে প্রকাশ করেছে এবং এটিকে ‘সন্ত্রাসী সংগঠনের পরিচালিত নৌকায় প্রাণঘাতী হামলা’ বলে দাবি করেছে। তবে প্রথম হামলায় বেঁচে থাকা দুই ব্যক্তির ওপর দ্বিতীয় হামলার দৃশ্য এখনো প্রকাশ করা হয়নি।

ইতিপূর্বে ওয়াশিংটন পোস্ট–এর এক প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছিল, হামলার সময় প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ মুখে নির্দেশ দিয়েছিলেন, ‘কিল দেম অল’ অর্থাৎ ‘সবাইকে মেরে ফেলো’। তবে হামলার দায়িত্বপ্রাপ্ত নৌবাহিনীর অ্যাডমিরাল ফ্র্যাঙ্ক ব্র্যাডলি সিনেটরদের বলেছেন—এমন কোনো নির্দেশ দেওয়া হয়নি।

মার্কিন বাহিনীতে আক্রমণের কোনো পরিকল্পনা ছিল না ইরানের: কংগ্রেসকে পেন্টাগন

খামেনিকে হত্যা করতে পারলেও ইরানকে ‘ঠিক’ করতে পারবে না যুক্তরাষ্ট্র: মার্কিন সিনেটর

ইরানের সঙ্গে যুদ্ধে আরও মার্কিন সেনার প্রাণহানি ঘটতে পারে—বলছেন ট্রাম্প

ইরানের নতুন নেতৃত্ব আলোচনা চায়, আমি রাজি: ট্রাম্প

ইরানে অভিযান শুরুর পর ৩ মার্কিন সেনা নিহত, আহত ৫

ওমান উপসাগরে ইরানের যুদ্ধজাহাজ ডুবিয়ে দেওয়ার দাবি যুক্তরাষ্ট্রের

খামেনি নিহত হয়েছেন, ট্রুথ সোশ্যালে ট্রাম্প

ট্রাম্প প্রশাসনের বার্তা: বাড়তি শুল্কের অর্থ ফেরত দিতে পারে যুক্তরাষ্ট্র

ইরানের ক্ষেপণাস্ত্রশিল্প মাটিতে মিশিয়ে দেওয়াই আমাদের লক্ষ্য: ট্রাম্প

আমি নাক গলাতাম, কিন্তু পাকিস্তান বেশ ভালো করছে: পাক-আফগান যুদ্ধ প্রসঙ্গে ট্রাম্প