হোম > বিশ্ব > যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডা

ইসরায়েল-ইরান সংঘাত নিয়ে দুই সপ্তাহের মধ্যে সিদ্ধান্ত নেবেন ট্রাম্প: হোয়াইট হাউস

আজকের পত্রিকা ডেস্ক­

প্রেস সেক্রেটারি ক্যারোলিন লেভিট। ছবি: ভিডিও থেকে নেওয়া

ইসরায়েল-ইরান চলমান উত্তেজনার মধ্যে যুক্তরাষ্ট্র সরাসরি জড়াবে কি না, এ নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত আসছে আগামী দুই সপ্তাহের মধ্যেই। হোয়াইট হাউসে অনুষ্ঠিত এক ব্রিফিংয়ে এ তথ্য জানিয়েছেন প্রেস সেক্রেটারি ক্যারোলিন লেভিট। তিনি জানিয়েছেন, প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বিষয়টি নিয়ে এখনো সিদ্ধান্ত নেননি।

লেভিট প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের বক্তব্য তুলে ধরেন বলেন, ‘ইরানের সঙ্গে সম্ভাব্য আলোচনার একটি সুযোগ সামনে রয়েছে। তাই আমি পরবর্তী দুই সপ্তাহের মধ্যে সিদ্ধান্ত নেব—যাব কি যাব না।’

লেভিট আরও বলেন, ‘এমনকি আলোচনার সম্ভাবনা না থাকলেও প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প জনগণকে বলছেন, তাঁর ওপর আস্থা রাখুন। তিনি তাঁর প্রথম মেয়াদে ‘‘শক্তির মাধ্যমে শান্তি’’ প্রতিষ্ঠা করেছিলেন।’

ইসরায়েল-ইরান চলমান সংঘাতের বিষয়ে ট্রাম্প প্রশাসন এখন পর্যন্ত কৌশলগত অস্পষ্টতা বজায় রেখে চলেছে। প্রেসিডেন্ট এবং হোয়াইট হাউস প্রকাশ্যে কোনো স্পষ্ট বার্তা না দিলেও একাধিকবার বলা হয়েছে ইরান ‘পারমাণবিক অস্ত্র তৈরির পথে, আগে কখনো এতটা পরিপক্ব অবস্থানে ছিল না।’

তবে জাতীয় গোয়েন্দা পরিচালক তুলসী গ্যাবার্ড চলতি বছরের শুরুতে কংগ্রেসে এক প্রতিবেদনে জানান, ইরানের পারমাণবিক বোমা তৈরির কোনো তাৎক্ষণিক পরিকল্পনা নেই। তবে ট্রাম্প তাঁর এই প্রতিবেদনের তথ্য প্রত্যাখ্যান করেন।

ব্রিফিংয়ে প্রশ্ন করা হয়েছিল, কংগ্রেসের অনুমোদন ছাড়াই কি ট্রাম্প ইরানে হামলা চালাতে পারেন? এই প্রশ্ন এড়িয়ে যান লেভিট। একইভাবে ইরানি কর্মকর্তাদের হোয়াইট হাউসে আমন্ত্রণ জানানো হতে পারে কি না, তা-ও তিনি বলেননি।

প্রেস সেক্রেটারি জানান, প্রেসিডেন্টের ‘প্রধান অগ্রাধিকার’ হলো—ইরান যেন পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি করতে না পারে। তবে তিনি উল্লেখ করেননি ট্রাম্প কেন মনে করছেন ,এখনো আলোচনার ‘সমূহ’ সম্ভাবনা রয়েছে।

প্রেস ব্রিফিংয়ে এক সাংবাদিক জানতে চান, ট্রাম্প সমর্থকদের জন্য এই মুহূর্তে প্রেসিডেন্টের বার্তা কী?

জবাবে লেভিট বলেন, তাঁরা প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের ওপর আস্থা রাখতে পারেন। তাঁর অভিজ্ঞতা এবং কৌশলগত সিদ্ধান্তের দক্ষতা রয়েছে। তিনি একবার বিশ্বকে নিরাপদ রেখেছেন, এবারও তা পারবেন।

বিশ্লেষকেরা বলছেন, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের এই কৌশলগত অস্পষ্টতা অভ্যন্তরীণ এবং আন্তর্জাতিকভাবে উদ্বেগ তৈরি করছে। একদিকে ইসরায়েল চাইছে যুক্তরাষ্ট্র সরাসরি যুদ্ধে অংশ নিক, অন্যদিকে ওয়াশিংটন এখনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত এড়িয়ে চলেছে।

ইসরায়েলের সঙ্গে যুদ্ধ পরিস্থিতিতে যুক্তরাষ্ট্র যুক্ত হলে তা পুরো মধ্যপ্রাচ্যে এক নতুন সংঘাতের সূচনা করতে পারে বলে সতর্ক করেছেন আন্তর্জাতিক বিশেষজ্ঞরা।

হোয়াইট হাউসের ভাষায়, ট্রাম্প সিদ্ধান্ত নিতে পারেন। আবার না-ও নিতে পারেন। তবে স্পষ্ট করে এখনো কিছুই বলা হয়নি। এখন পুরো বিশ্ব তাকিয়ে আছে আগামী দুই সপ্তাহের সিদ্ধান্তের দিকে।

ন্যাটোতে মার্কিন অংশগ্রহণ কমানোর প্রক্রিয়া শুরু করেছে যুক্তরাষ্ট্র, লাগবে কয়েক বছর

যদি কিছু ঘটে, ওদের পৃথিবীর বুক থেকে মুছে ফেলব—কাকে এমন হুমকি দিলেন ট্রাম্প

গ্রিনল্যান্ড ইস্যুতে পিছু হটার সুযোগ নেই, এটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ: ট্রাম্প

এবার ব্রিটেনের চাগোস দ্বীপপুঞ্জে ‘নজর’ ট্রাম্পের, অস্বস্তিতে স্টারমার

গ্রিনল্যান্ড দখলে বল প্রয়োগ করবেন কি না—প্রশ্নে ট্রাম্পের ‘নো কমেন্ট’

৮টি যুদ্ধ থামিয়েও নোবেল পুরস্কার পাইনি, শান্তির আর তোয়াক্কা করি না: ট্রাম্প

যুক্তরাষ্ট্রে মাদক ও যৌনব্যবসা, ভারতীয় দম্পতি গ্রেপ্তার

বিক্ষোভে উত্তাল মিনেসোটা: আলাস্কা থেকে ১৫০০ সেনা পাঠানোর প্রস্তুতি পেন্টাগনের

১০০ কোটি ডলার দিলেই কেবল মিলবে ট্রাম্পের শান্তি পরিষদের সদস্যপদ

গাজার ‘বোর্ড অব পিস’ মূলত ‘ট্রাম্পের জাতিসংঘ’, নাক গলাবে বৈশ্বিক সংঘাতেও