যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডা অঙ্গরাজ্যের পাম বিচে অবস্থিত প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের অবকাশযাপন কেন্দ্র মার-এ-লাগোর নিরাপত্তা বলয়ে ঢুকে পড়েছিলেন সশস্ত্র এক ব্যক্তি। পরে তাঁকে গুলিকে হত্যা করা হয়েছে বলে জানিয়েছে মার্কিন প্রবেশের পর এক সশস্ত্র ব্যক্তিকে গুলি করে হত্যা করা হয়েছে বলে জানিয়েছে মার্কিন সিক্রেট সার্ভিস।
রোববার (২২ ফেব্রুয়ারি) সংস্থাটি এক বিবৃতিতে জানায়, ওই ব্যক্তি মার-এ-লাগোর উত্তর গেটের কাছে সন্দেহজনকভাবে ঘোরাফেরা করছিলেন। তাকে একটি শটগান সদৃশ অস্ত্র এবং একটি জ্বালানির ক্যান বহন করতে দেখা যায়। এ অবস্থায় বাসভবনের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে তাঁকে লক্ষ্য করে সিক্রেট সার্ভিসের এক এজেন্ট এবং পাম বিচ কাউন্টি শেরিফ অফিসের এক ডেপুটি যৌথভাবে গুলি চালান। এতে ঘটনাস্থলেই ওই ব্যক্তি নিহত হন।
বিবিসি জানিয়েছে, নিহত ব্যক্তির নাম-পরিচয় তাৎক্ষণিকভাবে প্রকাশ করা হয়নি। ঘটনার সময় প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প মার-এ-লাগোতে উপস্থিত ছিলেন না। তিনি ওয়াশিংটন ডিসিতে অবস্থিত হোয়াইট হাউসে অবস্থান করছিলেন। শনিবার রাতেও ফার্স্ট লেডি মেলানিয়া ট্রাম্প প্রেসিডেন্টের সঙ্গে হোয়াইট হাউসেই ছিলেন বলে জানানো হয়েছে।
পাম বিচ কাউন্টি শেরিফের কার্যালয় জানিয়েছে, স্থানীয় সময় সকাল সাড়ে ৯টায় (ইস্টার্ন টাইম) এই বিষয়ে একটি সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।
প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প এর আগেও একাধিকবার প্রাণনাশের হুমকির মুখে পড়েছেন। ২০২৪ সালের ১৩ জুলাই পেনসিলভানিয়ার বাটলারে এক নির্বাচনী সমাবেশে তাঁকে লক্ষ্য করে গুলিবর্ষণের ঘটনা ঘটে। এই ঘটনায় তিনি আহত হয়েছিলেন। পরে একই বছরের ১৫ সেপ্টেম্বর ওয়েস্ট পাম বিচে ট্রাম্পের গলফ কোর্সের কাছে রাইফেলসহ অবস্থান নেওয়া এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করা হয়। চলতি মাসের শুরুর দিকে ওই ব্যক্তি যাবজ্জীবন কারাদণ্ডও দেওয়া হয়েছে।
সর্বশেষ ঘটনায় তাৎক্ষণিক কোনো মন্তব্য করেনি হোয়াইট হাউস। তদন্ত অব্যাহত রয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।