হোম > বিশ্ব > পাকিস্তান

করাচিতে বিস্ফোরণ, ভবন ধসে নিহত অন্তত ১৪

আজকের পত্রিকা ডেস্ক­

করাচির সোলজার বাজারে বিস্ফোরণে ভবন ধসে অন্তত ১৪ জন নিহত হয়েছে। ছবি: সংগৃহীত

পাকিস্তানের করাচির সোলজার বাজার এলাকায় এক আবাসিক ভবনের একাংশ ধসে অন্তত ১৪ জন নিহত হয়েছেন। নিহত ব্যক্তিদের মধ্যে নারী ও শিশুও রয়েছে। আহত হয়েছে আরও ১১ জন। উদ্ধারকারী সংস্থাগুলোর মতে, সন্দেহভাজন গ্যাস বিস্ফোরণের কারণে এই দুর্ঘটনা ঘটে। পাকিস্তানি সংবাদমাধ্যম জিও নিউজের প্রতিবেদন থেকে এই তথ্য জানা গেছে।

ঘটনাটি সোলজার বাজারের গুল রানা কলোনির একটি বাড়িতে ঘটে। আহত ও নিহত ব্যক্তিদের সিভিল হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে। ডিস্ট্রিক্ট ইস্ট পুলিশের এক মুখপাত্র জানান, প্রাথমিক প্রতিবেদনে জানা গেছে, গ্যাসের লিক থেকে বিস্ফোরণ ঘটে। এতে ভবনের একটি অংশ ধসে পড়ে।

রেসকিউ-১১২২ জানিয়েছে, এখনো তল্লাশি ও উদ্ধার অভিযান চলছে। ঘটনাস্থলে একটি আরবান সার্চ অ্যান্ড রেসকিউ দল ও একটি দুর্যোগ প্রতিক্রিয়া যান মোতায়েন রয়েছে। পুলিশের মুখপাত্র আরও বলেন, ঘটনা জানার পরপরই বিপুলসংখ্যক আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য ও উদ্ধারকারী দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে যায়। তিনি বলেন, পুলিশ এলাকা ঘিরে ফেলে এবং নিরাপত্তা জোরদার করে। একই সঙ্গে উদ্ধার সংস্থাগুলো অনুসন্ধান ও উদ্ধার অভিযান শুরু করে।

সিন্ধু প্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী মুরাদ আলী শাহ ঘটনাটির বিষয়ে অবগত হয়েছেন। তিনি প্রাণহানির ঘটনায় গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন। মুখ্যমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে প্রকাশিত এক বিবৃতিতে এই তথ্য জানানো হয়। বিবৃতিতে বলা হয়, মুরাদ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে ধ্বংসস্তূপের নিচে আটকে পড়াদের ‘অবিলম্বে উদ্ধার’ করার নির্দেশ দিয়েছেন। একই সঙ্গে আহত ব্যক্তিদের ‘সম্ভব সেরা’ চিকিৎসা সহায়তা দেওয়ার নির্দেশ দেন। মুরাদ ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর পাশে সব ধরনের সহায়তা দেওয়ার নির্দেশ দেন। তিনি করাচির কমিশনারকে ঘটনাটির কারণ তদন্তের নির্দেশও দেন।

এর আগে ২০২৫ সালের জুলাইয়ে করাচির লিয়ারি এলাকায় একটি পাঁচতলা ভবন ধসে অন্তত ২৭ জন নিহত হয়। আহত হয় আরও ১০ জন। ভবনটি এর আগে কর্তৃপক্ষ ঝুঁকিপূর্ণ ও বসবাসের অনুপযোগী হিসেবে ঘোষণা করেছিল। ভবনটির কাঠামো ছিল জরাজীর্ণ। তখন এক বিবৃতিতে সিন্ধ বিল্ডিং কন্ট্রোল অথরিটি জানায়, করাচিজুড়ে ৫৮৮টি ভবনকে ঝুঁকিপূর্ণ ঘোষণা করা হয়েছিল।

এর এক মাস পর, ২০২৫ সালের আগস্টে ওউরাঙ্গি টাউনে আওয়ামী ন্যাশনাল পার্টির (এএনপি) একটি কার্যালয় গ্যাস বিস্ফোরণে ধসে পড়ে। এতে দলটির চারজন কর্মী আহত হন। তাঁদের মধ্যে একজন গুরুতর দগ্ধ হন। পাকিস্তানে ছাদ ও ভবন ধসের ঘটনা প্রায়ই ঘটে। এর প্রধান কারণ নিম্নমানের নিরাপত্তাব্যবস্থা এবং নিম্নমানের নির্মাণসামগ্রীর ব্যবহার। দুই কোটির বেশি মানুষের শহর করাচি বিশেষভাবে কুখ্যাত। এখানে দুর্বল নির্মাণকাজ, অবৈধ সম্প্রসারণ, পুরোনো অবকাঠামো, অতিরিক্ত জনসংখ্যার চাপ এবং ভবনবিধি প্রয়োগে শিথিলতা রয়েছে।

এশিয়ায় চতুর্থ বৃহত্তম সেনাবাহিনী পাকিস্তানের, কী আছে দেশটির সামরিক শক্তিতে

পাকিস্তানের বেলুচিস্তানে চার দিনে ৩৮ নিরাপত্তাকর্মী ও ৫৪ সন্ত্রাসী নিহত

পাকিস্তানে ৫ আরোহীসহ কার্গো বিমান নিখোঁজ, চলছে তল্লাশি

এবার লিবিয়ার গৃহযুদ্ধ বন্ধে মধ্যস্থতা শুরু করেছে পাকিস্তান

পাকিস্তান থেকে পাচার হচ্ছে ‘গর্ভফুল’, কী কাজে লাগে

পাকিস্তানে যাত্রীবাহী বাস খাদে পড়ে নিহত অন্তত ৪০

সিন্ধু পানিচুক্তি না থাকলে ‘বিশ্বব্যবস্থা ভেঙে পড়বে’, ভারতকে পাকিস্তান

পাকিস্তানের লাহোরে কোচিং সেন্টারের ছাদ ধসে ১৪ শিশুর মৃত্যু

আমাদের পানিতে হাত দিলে কেটে ফেলব—ভারতকে পাকিস্তানি মন্ত্রী

করাচিতে জঙ্গি হামলার পর আফগান সীমান্তে পাকিস্তানের বিমান ও স্থল অভিযান, নিহত ২৯