গাজা উপত্যকাজুড়ে ইসরায়েলের নির্বিচার হামলায় ফিলিস্তিনিরা শুধু কোণঠাসা হচ্ছে। উপত্যকার মোট ২৩ লাখ বাসিন্দার মধ্যে ১৩ লাখই এখন রাফাহ শহরে গিয়ে আশ্রয় নিয়েছে। কিন্তু এত লোককে ঠাঁই দেওয়ার মতো যথেষ্ট অবকাঠামো নেই রাফাহে।
গাজায় এবার যুদ্ধ শুরুর আগে রাফাহে প্রায় পৌনে ২ লাখ বাসিন্দা ছিল। বাস্তুচ্যুত বাসিন্দাদের ভিড়ে রাফাহ এখন গিজগিজ করছে। এ পরিস্থিতিতে গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র আশরাফ আল-কুদরা বলেন, লাখ লাখ ফিলিস্তিনি পরিবার রাফাহে আসছেন। শহরটিতে এখন আর কোনো মানুষ ঠাঁই দেওয়ার মতো স্থান নেই। টেলিগ্রাম পোস্টে তিনি লেখেন, ‘রাফাহের অবকাঠামো ও স্বাস্থ্য অবকাঠামো কোনো কিছুরই ১৩ লাখ মানুষকে রাখার মতো অবস্থায় নেই। খবর আল জাজিরার।
এদিকে গত রোববার রাতে রাফাহের একটি ভবনে ইসরায়েলি হামলায় দুই বছরের শিশুসহ ১৪ ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছে। গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় গতকাল বলেছে, ইসরায়েলি হামলায় আগের ২৪ ঘণ্টায় ১৩৫ ফিলিস্তিনি নিহত এবং ৩১২ জন আহত হয়েছে। চলমান হামলায় এ পর্যন্ত ২৪ হাজার ১০০ ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছে। আহত হয়েছে ৬০ হাজার ৮৩৪ জন।
গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় আরও বলেছে, উপত্যকায় মাত্র ছয়টি অ্যাম্বুলেন্স সেবাদানের উপযোগী রয়েছে।
অন্যদিকে, গতকাল তেলআবিবে জড়ো হন ইসরায়েলি বিক্ষোভকারীরা। তাঁরা জিম্মি মুক্তির আহ্বান জানান এবং ক্ষমতা থেকে সরে যেতে ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুকে চাপ প্রয়োগ করেন।