হোম > বিশ্ব > মধ্যপ্রাচ্য

বোমা হামলায় প্রকাশ পেল ইসরায়েলের আশ্রয়কেন্দ্র সংকট

আজকের পত্রিকা ডেস্ক­

ছবি: সংগৃহীত

ইসরায়েলে ধেয়ে আসা মিসাইলের আশঙ্কায় সাইরেন বাজলে নাগরিকদের জন্য একটি বিস্তৃত আশ্রয়কেন্দ্র নেটওয়ার্ক রয়েছে। কিন্তু এই নেটওয়ার্ক দেশের সব অঞ্চলে সমানভাবে কার্যকর নয়। বিশেষ করে, ইসরায়েলের ভেতরে থাকা কিছু ফিলিস্তিনি শহরে আশ্রয়কেন্দ্রের ঘাটতি উন্মোচিত করেছে সাম্প্রতিক হামলাগুলো।

এ বিষয়ে উত্তর ইসরায়েল থেকে বিবিসি অনলাইনের সংবাদদাতা লোন ওয়েলস বলেছেন, ‘হামলার সতর্কতা দিয়ে যখন সাইরেন বেজে উঠল, তখন আমরা ছিলাম তামরা শহরে—উত্তর ইসরায়েলের হাইফার কাছাকাছি। এই শহরে কোনো সরকারি আশ্রয়কেন্দ্র নেই।’

পরিস্থিতির বর্ণনা দিয়ে ওয়েলস জানান, স্থানীয় বাসিন্দারা একটি অস্থায়ী আশ্রয়ে ছুটে যান, জানালাবিশিষ্ট ওই কেন্দ্রটির বহিরাংশ উন্মুক্ত এবং পাতলা ইট দিয়ে তৈরি। এটি ছিল এমন একটি বাড়ি থেকে মাত্র কয়েক মিটার দূরে—গত শনিবারের এক হামলায় যে বাড়িটি পুরোপুরি ধ্বংস হয়ে গেছে। ওই হামলায় একই পরিবারের চারজন আরব-ইসরায়েলি নারী নিহত হয়েছেন।

যদি এমন কোনো স্থানে আবার হামলা হয়, তাহলে এই ধরনের পাতলা ইটের কাঠামো নিশ্চিতভাবেই ধসে পড়বে আশ্রয়ে থাকা মানুষের ওপর।

ওয়েলস বলেন, ‘আমরা আশপাশে তীব্র শব্দ শুনতে পেয়েছিলাম, আশ্রয়কেন্দ্রের দেয়ালগুলো কাঁপছিল। ভেতরে থাকা পরিবারগুলো আতঙ্কিত হয়ে পড়েছিল—কেউ প্রার্থনা করছিল, কেউ কাঁদছিল, আবার কেউ একে অপরকে জড়িয়ে ধরেছিল প্রতিটি বিস্ফোরণের শব্দে।’

ওই অঞ্চলের মানুষদের মধ্যে নানামুখী ভয় কাজ করছে বলেও জানান বিবিসি সংবাদদাতা। একদিকে নিজেদের সম্প্রদায়ের মানুষের মৃত্যু, অন্যদিকে সংঘাতের প্রভাব নিজেদের বাড়ির সীমানায় পৌঁছে যাওয়া এবং আশপাশে কোনো নিরাপদ আশ্রয় না থাকায় নিরাপত্তাহীনতা আরও তীব্র হয়েছে।

২০২৪ সালে ‘ইসরায়েল ডেমোক্রেসি ইনস্টিটিউট’-এর এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছিল, দেশটির আরব শহরগুলোতে পর্যাপ্ত সুরক্ষা কাঠামো সরবরাহে ইসরায়েল ব্যর্থ হয়েছে। রিপোর্ট অনুযায়ী, ইসরায়েলের আরব বসতিগুলোর ৪৬ শতাংশ মানুষ এমন ভবনে বসবাস করেন, যেখানে কোনো সুরক্ষিত আশ্রয়কেন্দ্র নেই। আর ইসরায়েলের মোট জনসংখ্যার কথা বিবেচনা করলে এ ধরনের নিরাপত্তাহীনতার মধ্যে আছে ২৬ শতাংশ মানুষ।

গাজায় ৭০ হাজার মানুষের মৃত্যুর তথ্য মেনে নিল ইসরায়েল

বুলেটের বদলে বই—সিরিয়ার শিশুদের মুখে হাসি ফেরাচ্ছে ‘সাংস্কৃতিক বাস’

মার্কিন হামলা হলে এবার ইরানের প্রতিক্রিয়া কেন ভিন্ন হতে পারে

সিরিয়ার সেনাবাহিনীর সঙ্গে একীভূত হচ্ছে বিদ্রোহী কুর্দিরা, চুক্তি স্বাক্ষর

ইরানে কমান্ডো অভিযানের কথাও ভাবছেন ট্রাম্প

আধিপত্য নয়, মধ্যপ্রাচ্যের প্রয়োজন অন্তর্ভুক্তিমূলক নিরাপত্তা চুক্তি: তুরস্ক

ইরানের প্রেসিডেন্টের সঙ্গে ট্রাম্পের টেলিকনফারেন্সের প্রস্তাব এরদোয়ানের

প্রয়োজনে ইরান থেকে নিজেদের বিজ্ঞানীদের সরিয়ে নিতে প্রস্তুত রাশিয়া

ইরানে ‘রেজিম চেঞ্জে’র পরিস্থিতি তৈরিতে সুপরিকল্পিত হামলা চালাতে পারেন ট্রাম্প

ট্রিগারে আঙুল রাখা আছে—ট্রাম্পের ‘ভয়াবহ হামলার’ হুমকির জবাবে ইরান