ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল মাখোঁর স্ত্রী ও দেশটির ফার্স্ট লেডি ব্রিজিত মাখোঁর লিঙ্গ পরিচয় নিয়ে শুরু হয়েছে তীব্র বিতর্ক। এ নিয়ে মামলা করেছেন ব্রিজিত মাখোঁ। তাঁর আইনজীবী বুধবার এমনটি জানিয়েছেন।
ষড়যন্ত্রতাত্ত্বিকেরা বলছেন, ব্রিজিত মূলত একজন ট্রান্সজেন্ডার বা রূপান্তরকামী নারী। তাঁদের দাবি, পুরুষ হিসেবে জন্ম নিয়েছিলেন প্রেসিডেন্ট মাখোঁর স্ত্রী ব্রিজিত। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের বিভিন্ন প্ল্যাটফর্মে এ তত্ত্ব ছড়িয়ে পড়েছে।
বার্তা সংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়, ভ্যাকসিনবিরোধী ডানপন্থীরা বলছেন, ফরাসি প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল মাখোঁর স্ত্রী ও দেশটির ফার্স্ট লেডি ব্রিজিত মাখোঁ জন্মগতভাবে নারী নন। অর্থাৎ, তিনি পুরুষ হিসেবে জন্ম নিয়েছিলেন এবং সে সময় তাঁর নাম ছিল জ্যঁ-মিশেল ত্রোগনিউক্স।
প্যারিসভিত্তিক ফরাসি সংবাদমাধ্যম লা ফিগারো জানিয়েছে, টুইটারজুড়ে এমন প্রচারণাকে ষড়যন্ত্র হিসেবে দেখছেন ৬৩ বছর বয়সী ব্রিজিত মাখোঁ। চলতি ডিসেম্বর মাসের মাঝামাঝি সময়ে বেশ কয়েক দিন ধরে জ্যঁ-মিশেল-ত্রোগনিউক্স হ্যাশট্যাগটি ট্রেন্ড হিসেবে ছিল।
এ নিয়ে বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে ব্রিজিত মাখোঁর আইনজীবী জিন এনোচি বলেন, গত ১০ ডিসেম্বর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মিথ্যা গুজব নিয়ে একটি ভিডিও ছড়িয়ে পড়ার পরে কয়েকজনের বিরুদ্ধে একটি মামলা দায়ের করা হয়। তবে কাদের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে তা জানাননি জিন এনোচি।
ব্রিজিত মাখোঁর পক্ষ থেকেও এ নিয়ে কিছু বলা হয়নি। ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল মাখোঁর বয়স যখন ১৫ বছর, তখন তাঁর সঙ্গে ৪০ বছর বয়সী ব্রিজিত মাখোঁর প্রথম পরিচয় হয়।