হোম > বিশ্ব > ইউরোপ

এবার রাশিয়ার দ্বিতীয় বৃহত্তম অনলাইন মার্কেটপ্লেসে ইউক্রেনের হামলা

আজকের পত্রিকা ডেস্ক­

রাশিয়ার দ্বিতীয় বৃহত্তম অনলাইন খুচরা বিক্রেতা প্রতিষ্ঠান ‘ওজন’-এর একটি গুদাম জ্বলছে। ছবি: বিবিসি

ইউক্রেনের ধারাবাহিক ড্রোন হামলায় এবার লক্ষ্যবস্তু হয়েছে রাশিয়ার দ্বিতীয় বৃহত্তম অনলাইন খুচরা বিক্রেতা প্রতিষ্ঠান ‘ওজন’ (Ozon)-এর একাধিক গুদাম ও লজিস্টিক কেন্দ্র। স্থানীয় সময় আজ সোমবার (২৪ আগস্ট) ভোরে রাশিয়ার দক্ষিণাঞ্চলের ক্রাসনোদার, দাগেস্তান, স্তাভরোপল ও আদিগেয়া অঞ্চলে প্রতিষ্ঠানটির বিভিন্ন স্থাপনায় আগুন লাগে এবং কয়েকজন আহত হন বলে জানিয়েছে ওজন কর্তৃপক্ষ।

কোম্পানিটি জানায়, স্থানীয় সময় আজ ভোর প্রায় ৫টার দিকে ড্রোন হামলার পর দাগেস্তানের মাখাচকালা শহরে তাদের একটি লজিস্টিক কেন্দ্রে আগুন ধরে যায়। এর আগে ক্রাসনোদার শহরের একটি কেন্দ্রেও বড় ধরনের অগ্নিকাণ্ডের খবর পাওয়া যায়। আদিগেয়া অঞ্চলের আদিগেইস্ক ও স্তাভরোপলের নেভিন্নোমিস্ক শহরে ওজনের কর্মীদের সরিয়ে নেওয়া হয়েছে।

রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের দাবি, ক্রাসনোদারে ইউক্রেনীয় ড্রোন হামলায় তিন শিশু নিহত হয়েছে। তাদের বয়স ১৩, ১৫ ও ১৬ বছর। আহত আরও ছয় শিশুকে হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া হামলার কয়েকটি ভিডিও যাচাই করেছে বিবিসি। একটি ভিডিওতে ওরেনবুর্গ অঞ্চলে একটি গুদামে ড্রোন আঘাত হানতে দেখা গেছে। অন্য একটি ভিডিওতে দাগেস্তানে ওজনের গুদাম থেকে বিশাল ধোঁয়া ও আগুনের কুণ্ডলী উঠতে দেখা যায়।

হামলার খবরে আজ মস্কো স্টক এক্সচেঞ্জে ওজনের শেয়ারের দাম একপর্যায়ে ১২ শতাংশ পর্যন্ত কমে যায়। কোম্পানিটির প্রধান শেয়ারহোল্ডার বেসরকারি বিনিয়োগ প্রতিষ্ঠান এএফকে সিস্তেমার শেয়ারও প্রায় ১৩ শতাংশ পড়ে যায়। ক্রেমলিন জানিয়েছে, এই কঠিন পরিস্থিতিতে ওজনকে সহায়তার বিভিন্ন উপায় নিয়ে ব্যবসায়ীদের সঙ্গে আলোচনা চলছে।

এর আগে ইউক্রেন রাশিয়ার সবচেয়ে বড় অনলাইন খুচরা বিক্রেতা ওয়াইল্ডবেরিজের অন্তত ১৫টি বড় লজিস্টিক হাবে হামলা চালায়। ইউক্রেন দাবি করে আসছে, এসব কেন্দ্র ‘দ্বৈত ব্যবহারযোগ্য’ পণ্য সংরক্ষণ ও সরবরাহে ব্যবহৃত হওয়ায় সেগুলো বৈধ সামরিক লক্ষ্য। তবে রাশিয়া এই অভিযোগ অস্বীকার করেছে।

১৯৯৮ সালে প্রতিষ্ঠিত ওজন রাশিয়ার অন্যতম পুরোনো অনলাইন খুচরা বিক্রেতা এবং আকার ও বিস্তৃতির দিক থেকে ওয়াইল্ডবেরিজের পরই এর অবস্থান। দেশটির ৮৫ থেকে ৯০ শতাংশ অর্থনৈতিকভাবে সক্রিয় মানুষ এই দুই প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করেন বলে ধারণা করা হয়।

ফলে এসব প্রতিষ্ঠানে হামলা রাশিয়ার সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনে যুদ্ধের প্রভাব আরও স্পষ্ট করে তুলছে।

দাঙ্গা নিয়ন্ত্রণে ‘কারফিউ’ জারি হচ্ছে ফ্রান্সে

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর পদত্যাগ গ্রহণ করেননি মাখোঁ, বিক্ষোভ সামলাতে নতুন কৌশলের নির্দেশ

চীনের ওপর ইউরোপীয় ইউনিয়নের নিষেধাজ্ঞায় কেন ক্ষতিগ্রস্ত ইউক্রেন

ইউরোপের ৬ দেশে মানুষ কেন রাজপথে, কেন এত সহিংসতা

ইউরোপেও যুদ্ধ পৌঁছে দিতে পারে ইরান

ফ্রান্সজুড়ে বিক্ষোভ, লুটপাট ও অগ্নিসংযোগ অব্যাহত, গ্রেপ্তার ২৪০০

ইউক্রেন ইস্যুতে ট্রাম্প-সিকে নিয়ে ত্রিপক্ষীয় বৈঠকের প্রস্তাব পুতিনের

প্রাণশঙ্কার চার দিন পর ঠান্ডা মাথায় খুন হলেন বিশ্বখ্যাত সার্জন

প্রথম বিশ্বযুদ্ধে আহত সৈন্যদের বাঁচাতে গিয়ে নিহত যাজককে সন্ত ঘোষণার উদ্যোগ

ঊর্ধ্বমুখী বাজারে নাকাল: বিক্ষোভ-সহিংসতায় উত্তাল ইউরোপের ৪ দেশ