হোম > বিশ্ব > এশিয়া

খনি থেকে পাওয়া রয়্যালটির ভাগ দিতে অস্ট্রেলিয়ার সর্বোচ্চ ধনীকে নির্দেশ

আজকের পত্রিকা ডেস্ক­

অস্ট্রেলিয়ার সর্বোচ্চ ধনী জিনা রাইনহার্ট।

একটি দীর্ঘ আইনি লড়াইয়ের পর অস্ট্রেলিয়ার সবচেয়ে ধনী ব্যক্তি জিনা রাইনহার্টকে খনির রয়্যালটির অংশ ভাগ করে দিতে নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। প্রায় এক দশক ধরে চলা বিরোধের নিষ্পত্তিতে পশ্চিম অস্ট্রেলিয়ার সুপ্রিম কোর্ট এই রায় দেন।

বুধবার (১৫ এপ্রিল) দেওয়া রায়ে আদালত জানান, প্রয়াত খনি উদ্যোক্তা পিটার রাইটের উত্তরাধিকারীদের মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠান ‘রাইট প্রসপেক্টিং’ পিলবারা অঞ্চলের হোপ ডাউনস খনি থেকে প্রাপ্ত রয়্যালটির একটি অংশ পাওয়ার দাবিদার। এই খনি পরিচালনায় রিও টিনটোর সঙ্গে যৌথভাবে কাজ করে রাইনহার্টের কোম্পানি ‘হ্যানকক প্রসপেক্টিং’।

যুক্তরাজ্যভিত্তিক সংবাদমাধ্যম ইনডিপেনডেন্ট জানিয়েছে, মামলাটির সূত্রপাত কয়েক দশক আগে হওয়া এক চুক্তি ঘিরে। রাইনহার্টের বাবা ল্যাং হ্যানকক এবং পিটার রাইট একসঙ্গে পশ্চিম অস্ট্রেলিয়ায় লৌহ আকরিক অনুসন্ধানের পথিকৃৎ ছিলেন। তাঁরা ‘হ্যানরাইট’ নামে একটি যৌথ উদ্যোগ গড়ে তোলেন এবং পিলবারা অঞ্চলের খনিগুলোর ওপর দাবি প্রতিষ্ঠা করেন। রাইটের উত্তরাধিকারীরা দাবি করেন, এই অংশীদারত্বের ভিত্তিতে হোপ ডাউনস সহ বিভিন্ন খনি থেকে প্রাপ্ত রয়্যালটির সমান অংশ তাদের প্রাপ্য।

আদালতের বিচারক জেনিফার স্মিথ রায়ে বলেন, রিও টিন্টো হোপ ডাউনস প্রকল্পের জন্য হ্যানকক প্রসপেক্টিংকে যে ২.৫ শতাংশ রয়্যালটি দেয়, তার অর্ধেক রাইট প্রসপেক্টিংয়ের প্রাপ্য। গত বছর হোপ ডাউনস থেকে হ্যানকক প্রসপেক্টিংয়ের আয় ছিল প্রায় ৮৩ কোটি ২ লাখ অস্ট্রেলিয়ান ডলার।

তবে আদালত রাইট পরিবারের খনির মালিকানা দাবি খারিজ করে দিয়েছেন। ফলে খনিগুলোর পূর্ণ মালিকানা রাইনহার্টের কাছেই থাকছে। বিচারক বলেন, ‘উভয় পক্ষই মামলার কিছু অংশে জয়ী হয়েছে, আবার কিছু অংশে পরাজিত হয়েছে।’

একই সঙ্গে খনি অনুসন্ধানকারী ডন রোডস-এর উত্তরাধিকারীদের মালিকানাধীন একটি প্রতিষ্ঠানের আংশিক রয়্যালটি দাবিও মঞ্জুর করা হয়েছে।

রাইনহার্টের দুই সন্তান জন হ্যানকক এবং বিয়ানকা রাইনহার্টও মামলায় যুক্ত ছিলেন। তাঁরা অভিযোগ করেন, পারিবারিক ট্রাস্ট থেকে লাভজনক খনির অধিকার সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। তবে আদালত এই দাবিও প্রত্যাখ্যান করেন।

৭১ বছর বয়সী রাইনহার্ট তাঁর বাবার মৃত্যুর পর ঋণগ্রস্ত কোম্পানিকে ঘুরে দাঁড় করিয়ে অস্ট্রেলিয়ার শীর্ষ ধনীদের একজন হয়ে ওঠেন। ২০০০-এর দশকে চীনের শিল্পায়নের ফলে লৌহ আকরিকের চাহিদা বাড়ায় তাঁর সম্পদ দ্রুত বৃদ্ধি পায়। বর্তমানে তাঁর সম্পদের পরিমাণ প্রায় ৩৮ বিলিয়ন অস্ট্রেলিয়ান ডলার।

দীর্ঘ ১৩ বছরেরও বেশি সময় ধরে চলা এই আইনি লড়াইয়ে হাজারো নথি উপস্থাপন করা হয়। উভয় পক্ষই রায়কে আংশিক স্বাগত জানিয়েছে এবং ভবিষ্যতে আপিলের সম্ভাবনাও রয়েছে।

আমাদের ভূখণ্ড ভারতের বিরুদ্ধে ব্যবহার করতে দেওয়া হবে না: মিয়ানমার

মস্কো–কাবুল সামরিক সহযোগিতা চুক্তি সই, ভারত–পাকিস্তানের ওপর এর প্রভাব কী

‘আমরাও ভারতের জমি দখল করে রেখেছি’—কেন এই কথা বললেন নেপালের প্রধানমন্ত্রী

মিয়ানমারে খনির বিস্ফোরক গুদামে ভয়াবহ বিস্ফোরণ, নিহত ৪৫

চীনের উত্থানের মুখে যুক্তরাষ্ট্রকে নিয়ে সংশয়, অস্ত্র প্রতিযোগিতায় ইন্দো-প্যাসিফিকের দেশগুলো

জনসংখ্যা হ্রাসে নতুন রেকর্ড জাপানে—উদ্বেগ বাড়াচ্ছে বার্ধক্য

‘ইনটু থিন এয়ার’ ট্র্যাজেডির ৩০ বছর পর নতুন যে হুমকিতে এভারেস্ট

মিয়ানমারে বিরল মৃত্তিকা খনিজের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে লড়াই জমছে

কম্বোডিয়ার বিরোধীদলীয় নেতাকে ক্ষমা করে দিলেন রাজা

আফগানিস্তানে বিয়ে থেকে বাঁচতে ট্যাক্সিতে পালান আলিয়া, পারেননি শামা