ইউক্রেনে হামলা চালিয়ে মানবাধিকার লঙ্ঘনের কারণে জাতিসংঘে মানবাধিকার কাউন্সিলের সদস্যপদ স্থগিত হতে পারে রাশিয়ার। এ নিয়ে আজ বৃহস্পতিবার জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে ভোট হওয়ার কথা রয়েছে।
বার্তা সংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়, মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগ তুলে রাশিয়ার জাতিসংঘে মানবাধিকার কাউন্সিলের সদস্যপদ স্থগিত করার প্রস্তাব আনে যুক্তরাষ্ট্র। এর আগে ২০১১ সালে লিবিয়ার তৎকালীন প্রেসিডেন্ট মুয়াম্মার গাদ্দাফির অনুগত বাহিনীর দ্বারা বিক্ষোভকারীদের বিরুদ্ধে সহিংসতার কারণে জাতিসংঘে মানবাধিকার কাউন্সিলের সদস্যপদ স্থগিত করা হয়েছিল।
যুক্তরাষ্ট্র বলছে, ইউক্রেনের বুচা শহরে শত শত বেসামরিক নাগরিককে হত্যার অভিযোগে রাশিয়ার সদস্যপদ স্থগিত করার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। তবে রাশিয়া ইউক্রেনে বেসামরিক নাগরিকদের ওপর হামলার কথা অস্বীকার করেছে।
জাতিসংঘের সদস্য রাষ্ট্রগুলোর দুই-তৃতীয়াংশ যুক্তরাষ্ট্রের প্রস্তাবের পক্ষে ভোট দিলেই ৪৭ সদস্যবিশিষ্ট জাতিসংঘের মানবাধিকার কাউন্সিল থেকে রাশিয়ার সদস্যপদ স্থগিত হবে।
পশ্চিমা কূটনীতিকেরা বলছেন যে মস্কোর সদস্যপদ স্থগিত করার জন্য ১৯৩ সদস্যের জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে তাদের যথেষ্ট সমর্থন রয়েছে।
এ নিয়ে জাতিসংঘে মার্কিন রাষ্ট্রদূত লিন্ডা থমাস-গ্রিনফিল্ড রয়টার্সকে বলেছেন, ‘রাশিয়াকে এটা বলা গুরুত্বপূর্ণ যে আমরা আপনাকে মানবাধিকারে সম্মান করার ভান করতে দেব না।’
একটি নোটের বরাত দিয়ে রয়টার্স জানায়, রাশিয়া দেশগুলোকে সতর্ক করেছে যে হ্যাঁ ভোট দিলে বা বিরত থাকলে এটিকে বন্ধুত্বহীন ইঙ্গিত হিসেবে দেখা হবে।
রাশিয়ায় জাতিসংঘের রাষ্ট্রদূত ভ্যাসিলি নেবেনজিয়া গতকাল মঙ্গলবার বলেন, বুচা রাশিয়ার নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। সেখানে একজন বেসামরিক নাগরিক কোনো ধরনের সহিংসতার শিকার হয়নি।