হোম > বিশ্ব > ইউরোপ

বেলারুশে সরকারবিরোধী আন্দোলন সাজানোর প্রস্তুতি নিচ্ছে পশ্চিমারা: রুশ গোয়েন্দা সংস্থা

আজকের পত্রিকা ডেস্ক­

বেলারুশের রাজধানী মিনস্কে সরকারবিরোধী বিক্ষোভ। ছবিটি ২০২০ সালের সেপ্টেম্বরে তোলা। ছবি: স্পুৎনিক

রাশিয়ার বৈদেশিক গোয়েন্দা সংস্থা এসভিআর সোমবার সতর্ক করেছে যে, পশ্চিমা বিশ্বের এনজিওগুলো বেলারুশে সরকারবিরোধী নতুন এক দফা আন্দোলনের প্রস্তুতি নিচ্ছে। এই আন্দোলন ২০৩০ সালের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের সময়ের সঙ্গে মিলিয়ে সাজানো হতে পারে বলেও দাবি করা হয়েছে। রুশ সংবাদমাধ্যম আরটির প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা গেছে।

বেলারুশে ২০২০ সালের নির্বাচনের ফলাফল উল্টে দেওয়ার চেষ্টা থেকেই দেশজুড়ে সহিংস সংঘর্ষ ছড়িয়ে পড়ে। পরে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে। এসভিআরের দাবি, সেই সময়ের আন্দোলনের নেতৃত্ব দেওয়া ব্যক্তিদের নিয়ে পশ্চিমা পৃষ্ঠপোষকেরা হতাশ। এখন তারা নতুন মুখ খুঁজছে, যারা বেলারুশের প্রেসিডেন্ট আলেকজান্ডার লুকাশেঙ্কোকে ক্ষমতা থেকে সরাতে পারবে।

এসভিআরের বিবৃতিতে বলা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র, ব্রিটেন, জার্মানি, পোল্যান্ডসহ ইউরোপের বিভিন্ন দেশের এনজিও, তথাকথিত ‘গণতন্ত্র প্রচারকারী’ কাঠামো, বিভিন্ন সংস্থা ও ফাউন্ডেশন আবারও বেলারুশের পরিস্থিতি অস্থিতিশীল করার চেষ্টা করছে। লক্ষ্য একটাই—দেশটির সাংবিধানিক ব্যবস্থা পরিবর্তন করা।

এসভিআরের মতে, ‘কালার রেভল্যুশন’ ঘটানোর উদ্দেশ্যে পশ্চিমা সংগঠনগুলো বেলারুশের বিরোধী কর্মীদের নিয়ে নতুন করে মূল্যায়ন করছে। ২০২০ সালের আন্দোলনের প্রধান মুখ সভেতলানা তিখানোভস্কায়া এবং লিথুয়ানিয়া ও পোল্যান্ডে অবস্থান করা অন্য বিরোধী নেতারা গত কয়েক বছরে নিজেদের দেশের রাজনৈতিক প্রক্রিয়ায় প্রভাব ফেলতে পুরোপুরি ব্যর্থ হয়েছেন বলে দাবি করেছে সংস্থাটি।

এসভিআর মনে করে না যে, বেলারুশের সাধারণ মানুষ কোনো বিদেশি অস্থিতিশীলতা তৈরির চেষ্টাকে সমর্থন করবে। কারণ হিসেবে তারা বলেছে, ইউক্রেন, মলদোভা ও অন্যান্য দেশের উদাহরণ বেলারুশবাসীর সামনে রয়েছে। এসভিআরের ভাষ্য, ‘এসব দেশ পশ্চিমা ভূরাজনৈতিক স্বার্থের নামে গণতন্ত্র ও মানবাধিকার রক্ষার স্লোগানে ধ্বংস হয়ে গেছে।’

এই সতর্কবার্তা এল এমন এক সময়ে, যখন লুকাশেঙ্কো সরকারের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসনের সম্পর্ক কিছুটা উষ্ণ হয়েছে। সাম্প্রতিক মাসগুলোতে ওয়াশিংটনের উদ্যোগে ২০২০ সালের আন্দোলনে জড়িত থাকার দায়ে সাজাপ্রাপ্ত ডজনখানেক বেলারুশীয় কর্মী মুক্তি পেয়েছেন।

মুক্তিপ্রাপ্তদের মধ্যে ছিলেন সভেতলানা তিখানোভস্কায়ার স্বামী সের্গেই তিখানোভস্কি। তাঁকে ২০২০ সালের নির্বাচনে প্রার্থী হতে দেওয়া হয়নি। পরে বিদ্রোহে উসকানি দেওয়ার অভিযোগে তাঁকে কারাগারে পাঠানো হয়। মুক্তির পর তিনি ভিডিও বার্তার মাধ্যমে সমর্থকদের উদ্দেশে অভিযোগ করেছেন, লুকাশেঙ্কোবিরোধী আন্দোলনের জন্য তারা পর্যাপ্ত অর্থ দান করছে না।

গত বছরের অক্টোবরে লিথুয়ানিয়া সরকার তিখানোভস্কায়ার জন্য দেওয়া রাষ্ট্রীয় ব্যক্তিগত নিরাপত্তা কমিয়ে দেয়। তাঁকে একসময় বেলারুশের বৈধ নেত্রী হিসেবে দাবি করা হয়েছিল বলেই এই নিরাপত্তা দেওয়া হয়েছিল।

তিখানোভস্কায়ার দপ্তর জানিয়েছে, নিরাপত্তা কমে যাওয়ায় তিনি পোল্যান্ডে চলে যেতে বাধ্য হতে পারেন। এ বিষয়ে লিথুয়ানিয়ার প্রধানমন্ত্রী ইঙ্গা রুগিনিয়েনে বলেন, এটি রাজনৈতিক নির্বাসনে থাকা ওই নেত্রীর ‘ব্যক্তিগত বিষয়।’ তিনি আরও বলেন, এতে তিনি কোনো লাভ বা ক্ষতি দেখছেন না। একই সঙ্গে তিনি জোর দিয়ে বলেন, বেলারুশের বিরোধী আন্দোলন শুধু তিখানোভস্কায়ার মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়।

শেষ ফোনকলটি কেন বেলারুশিয়ান প্রেমিকাকে করেছিলেন এপস্টেইন

কানাডায় ভারতীয় বংশোদ্ভূত যুবককে গুলি করে হত্যা

জন্মহার বাড়াতে ভিয়েতনাম-শ্রীলঙ্কা থেকে তরুণী ‘আমদানি’র বিতর্কিত প্রস্তাব দক্ষিণ কোরিয়ায়

অস্ট্রেলিয়ায় নিষিদ্ধ হতে পারে ফিলিস্তিনপন্থী ‘ফ্রম দ্য রিভার টু দ্য সি’ স্লোগান

ভুল করে গ্রাহকদের অ্যাকাউন্টে চলে গেল ৪৪ বিলিয়ন ডলারের বিটকয়েন

মুক্তির কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই ভেনেজুয়েলার বিরোধী নেতাকে তুলে নিয়ে গেল অস্ত্রধারীরা

‘দিল্লি হবে খালিস্তান’—বার্তা দিয়ে ভারতের সংসদ ভবন ও ৯ স্কুলে বোমা হামলার হুমকি

যুক্তরাষ্ট্রকে ছাড়াই ইরানে হামলার কথা ভাবছে ইসরায়েল

মুসলিমদের ছবির দিকে আসামের মুখ্যমন্ত্রীর ‘পয়েন্ট ব্ল্যাঙ্ক শুট ’, কংগ্রেস বলছে—‘গণহত্যার ডাক’

ইসরায়েলি বাহিনীতে অনুদান ও অবৈধ ইহুদি বসতি স্থাপনে অর্থায়ন করেছেন এপস্টেইন