হোম > বিশ্ব > যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডা

ইরান যুদ্ধে আহত ১৪০ মার্কিন সেনা, গুরুতর অবস্থা ৮ জনের

আজকের পত্রিকা ডেস্ক­

মধ্যপ্রাচ্যের একটি দেশে মার্কিন সেনারা। ছবি: সেন্টকম

যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা দপ্তর পেন্টাগন জানিয়েছে, ইরানের সঙ্গে চলমান যুদ্ধে এখন পর্যন্ত প্রায় ১৪০ জন মার্কিন সেনা আহত হয়েছে। তাদের মধ্যে অন্তত আটজনের অবস্থা গুরুতর। গতকাল মঙ্গলবার পেন্টাগনের প্রধান মুখপাত্র শন পারনেল বলেন, ‘অপারেশন এপিক ফিউরি শুরুর পর থেকে টানা ১০ দিনের হামলায় প্রায় ১৪০ জন মার্কিন সেনাসদস্য আহত হয়েছেন।’ খবর রয়টার্সের

পারনেল জানান, গুরুতর আহত আট সেনাকে সর্বোচ্চ পর্যায়ের চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। রয়টার্স নিশ্চিত করতে পারেনি যে আহত সেনাদের কী ধরনের আঘাত লেগেছে। এসবের মধ্যে বিস্ফোরণের ধাক্কায় হওয়া মস্তিষ্কজনিত আঘাত বা ট্রমাটিক ব্রেন ইনজুরি রয়েছে কি না, সেটিও স্পষ্ট নয়। এমন আঘাত বিস্ফোরণের সংস্পর্শে এলে প্রায়ই দেখা যায়।

২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে সংঘাত শুরু হওয়ার পর থেকে ইরান যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক ঘাঁটিগুলোর ওপর পাল্টা হামলা চালিয়ে যাচ্ছে। এ ছাড়া আরব উপসাগরীয় দেশগুলোর কূটনৈতিক মিশনেও হামলা করেছে ইরান। পাশাপাশি হোটেল, বিমানবন্দরেও আঘাত হানা হয়েছে এবং তেল অবকাঠামোর ক্ষতি হয়েছে।

এই পরিসংখ্যানগুলো মার্কিন সেনাদের মধ্যে প্রকৃত ক্ষয়ক্ষতির একটি প্রাথমিক চিত্র তুলে ধরছে। ইরানের পাল্টা রকেট ও ড্রোন হামলার ঢেউয়ে কুয়েত ও সৌদি আরবে আটজন মার্কিন সেনা নিহত হয়েছেন। যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনী যখন যুদ্ধ পরিকল্পনা তৈরি করেছিল, তখন ধারণার তুলনায় ইরান কি আরও শক্তিশালী প্রতিপক্ষ হিসেবে দেখা দিয়েছে কি না জানতে চাইলে মার্কিন জয়েন্ট চিফস অব স্টাফের চেয়ারম্যান ড্যান কেইন মঙ্গলবার সাংবাদিকদের বলেন, লড়াই প্রত্যাশার তুলনায় কঠিন নয়।

পেন্টাগনে এক ব্রিফিংয়ে তিনি বলেন, ‘আমি মনে করি তারা লড়াই করছে এবং সেটাকে আমি সম্মান করি। তবে আমরা যা ভেবেছিলাম, তার চেয়ে তারা বেশি শক্তিশালী প্রতিপক্ষ নয়।’

এদিকে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ মঙ্গলবার বলেছেন, ওই দিনটি ইরানের ভেতরে যুক্তরাষ্ট্রের হামলার সবচেয়ে তীব্র দিন হতে যাচ্ছে। তিনি বলেন, ইরানের সামরিক শক্তি কিছুটা কমে গেলেও ইসলামি প্রজাতন্ত্র লড়াই চালিয়ে যাওয়ার অঙ্গীকার করেছে।

অন্যদিকে রাজধানী তেহরানের বাসিন্দারা বলছেন, যুদ্ধের সবচেয়ে তীব্র বিমান হামলার কিছু আঘাত পড়েছে এই শহরে। শক্তিশালী বিস্ফোরণে পশ্চিম তেহরানের বিভিন্ন এলাকা কেঁপে উঠেছে এবং ব্যাপক বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্নতার খবর পাওয়া গেছে। পশ্চিম তেহরানের এক বাসিন্দা জানান, মধ্যরাতের দিকে হামলা শুরু হলে প্রায় আধা ঘণ্টা ধরে পুরো এলাকা কাঁপছিল।

এদিকে ইরানের পার্লামেন্ট স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ যুদ্ধবিরতির কোনো সম্ভাবনার কথা সরাসরি নাকচ করেছেন। অন্যদিকে ইরানের আরেক শীর্ষ নিরাপত্তা কর্মকর্তা আলি লারিজানি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে লিখেছেন, ‘ইরান তোমার (ট্রাম্পের) ফাঁকা হুমকিকে ভয় পায় না।’

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প মঙ্গলবার বলেন, যদি ইরান হরমুজ প্রণালিতে কোনো মাইন বসিয়ে থাকে, তবে তা অবিলম্বে সরিয়ে নেওয়া উচিত। তিনি বলেন, এমন পদক্ষেপ হলে সেটি সঠিক পথে একটি বড় অগ্রগতি হবে। তিনি সতর্ক করে বলেন, যদি সঙ্গে সঙ্গে মাইন সরানো না হয়, তবে ইরানকে এমন সামরিক পরিণতির মুখে পড়তে হবে, যার মাত্রা আগে কখনো দেখা যায়নি।

ইরান-লেবানন থেকে ধেয়ে আসছে ক্ষেপণাস্ত্র, নির্ঘুম রাত কাটছে তটস্থ ইসরায়েলিদের

আমেরিকাজুড়ে গণমাধ্যমের স্বাধীনতা ক্ষুণ্ন, যুক্তরাষ্ট্রে হুমকির মুখে: প্রতিবেদন

ভারতে প্রথম স্বেচ্ছামৃত্যুর অনুমতি দিলেন সুপ্রিম কোর্ট

পশ্চিমবঙ্গে রান্নার পর এবার খরচ বাড়ল যাতায়াতেও, বাড়তি ভাড়ায় যাত্রী হয়রানি

ইরানি নারী ফুটবলারদের নিয়ে রাজনীতি, অস্ট্রেলিয়ায় শেষ মুহূর্তে এক খেলোয়াড়ের মত পরিবর্তন

ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতাকে সমর্থন জানালেন উত্তর কোরিয়ার কিম জং-উন

যুক্তরাষ্ট্রে তেল শোধনাগার নির্মাণে ৩০০ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ করবে রিলায়েন্স

উপসাগরীয় দেশগুলো ইরানের শত্রু নয়: কাতার

আকাশ প্রতিরক্ষাব্যবস্থা সরিয়ে মধ্যপ্রাচ্যে নিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র—নিশ্চিত করলেন দ. কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট

হরমুজ প্রণালিতে মাইন বিছানো শুরু ইরানের, নজিরবিহীন পরিণতির হুমকি ট্রাম্পের