হোম > বিশ্ব > যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডা

ট্রাম্পের বিরুদ্ধে তদন্তে যুক্ত ১০ কর্মকর্তাকে বরখাস্ত করল এফবিআই

আজকের পত্রিকা ডেস্ক­

ছবি: সংগৃহীত

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের প্রথম মেয়াদ শেষে গোপনীয় নথিপত্র সংরক্ষণের বিষয়ে তদন্তে অংশ নেওয়া অন্তত ১০ জন এফবিআই সদস্যকে বরখাস্ত করা হয়েছে। গত বুধবার তাঁদের বরখাস্তের বিষয়টি নিশ্চিত করেছে মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিবিএস।

এফবিআইয়ের বর্তমান পরিচালক কাশ প্যাটেল সম্প্রতি রয়টার্সকে জানান, ওই তদন্ত চলার সময় তিনি একজন সাধারণ নাগরিক ছিলেন। তখন ফেডারেল এজেন্টরা তাঁর ফোনের রেকর্ড তলব করেছিল। প্যাটেলের এই বক্তব্যের পরপরই কর্মকর্তাদের বরখাস্তের ঘোষণাটি আসে। শুধু প্যাটেলই নন, বর্তমান হোয়াইট হাউসের চিফ অব স্টাফ সুজি ওয়াইলস যখন সাধারণ নাগরিক ছিলেন, তখন তাঁর ফোনের রেকর্ডও ওই তদন্তের অংশ হিসেবে তলব করা হয়েছিল।

তবে বরখাস্তকৃত এফবিআই কর্মীদের বিরুদ্ধে কোনো ধরনের অনিয়মের প্রমাণ দেননি কাশ প্যাটেল।

২০২১ সালে ট্রাম্প হোয়াইট হাউস ছাড়ার পর বিশেষ কৌঁসুলি জ্যাক স্মিথ তাঁর বিরুদ্ধে দুটি ফেডারেল তদন্ত পরিচালনা করেন। এর মধ্যে একটি ছিল ২০২০ সালের নির্বাচনের ফলাফল পাল্টে দেওয়ার চেষ্টার অভিযোগ। অন্যটি ছিল ফ্লোরিডায় ট্রাম্পের মার-এ-লাগো বাসভবনে নিয়ে যাওয়া গোপনীয় নথিপত্র সংক্রান্ত এবং পরবর্তীতে বিচার বিভাগকে সেই নথিগুলো উদ্ধারে বাধা দেওয়ার অভিযোগ। গত বুধবার যাদের বরখাস্ত করা হয়েছে, তাঁরা সবাই এই গোপনীয় নথিপত্র সংক্রান্ত মামলার তদন্তে অংশ নিয়েছিলেন।

এদিকে, এফবিআইয়ের বর্তমান ও সাবেক কর্মীদের প্রতিনিধিত্বকারী একটি সংগঠন এই গণ-বরখাস্তের তীব্র নিন্দা জানিয়েছে। এফবিআই এজেন্ট অ্যাসোসিয়েশন এক বিবৃতিতে বলেছে, এই পদক্ষেপগুলো ব্যুরোকে দুর্বল করে দিচ্ছে এবং দক্ষ জনবলকে অস্থিতিশীল করে তুলছে। এটি নেতৃত্বের ওপর আস্থা কমিয়ে দেবে এবং নতুন কর্মী নিয়োগের লক্ষ্যমাত্রাকে বাধাগ্রস্ত করবে—যা শেষ পর্যন্ত দেশকেই বড় ধরনের ঝুঁকির মুখে ফেলবে।

জ্যাক স্মিথের তদন্তের পর ২০২৩ সালে ট্রাম্প এবং তাঁর দুই সহযোগীকে অভিযুক্ত করা হয়েছিল। তবে ২০২৪ সালে ফ্লোরিডার একজন ফেডারেল বিচারক ট্রাম্পের বিরুদ্ধে মামলাটি খারিজ করে দেন। ওই বিচারক তাঁর রায়ে জানান, বিশেষ কৌঁসুলি হিসেবে স্মিথের নিয়োগ আইনত সঠিক ছিল না। চলতি বছর ট্রাম্পের বিচার বিভাগের অনুরোধে একটি ফেডারেল আপিল আদালত এই মামলার শেষ দুই আসামির বিরুদ্ধেও অভিযোগ তুলে নেয়।

গত বছরের জানুয়ারিতে হোয়াইট হাউসে ফেরার পর থেকে ট্রাম্পের বিচার বিভাগ এবং এফবিআই সেই সব কর্মীদের বরখাস্ত করা শুরু করেছে, যারা তাঁর বিরুদ্ধে ফেডারেল তদন্তে যুক্ত ছিলেন। এ ছাড়া বিচার বিভাগ সাবেক এফবিআই পরিচালক জেমস কোমি এবং নিউ ইয়র্কের অ্যাটর্নি জেনারেল লেটিশিয়া জেমসের বিরুদ্ধেও মামলা করার চেষ্টা করছে।

উল্লেখ্য, ২০১৭ সালে ট্রাম্প তাঁর প্রথম মেয়াদে কোমিকে বরখাস্ত করেছিলেন এবং লেটিশিয়া জেমস ট্রাম্পের বিরুদ্ধে একটি দেওয়ানি জালিয়াতির মামলার নেতৃত্ব দিয়েছিলেন।

ক্লিনটনকে এপস্টেইনের পরিমণ্ডলে নিয়ে গিয়েছিলেন গিলেইন

প্রতি মাসে সাড়ে ৪ হাজার শ্বেতাঙ্গ দক্ষিণ আফ্রিকান নেবে যুক্তরাষ্ট্র

মরক্কোয় প্রাসাদ কিনে স্থায়ী হতে চেয়েছিলেন এপস্টেইন

লেবার পার্টির দুর্গে উপনির্বাচনে জিতল উদার গ্রিন পার্টি

১৩৩ সেনার প্রাণহানি এবং ২৭টি সেনা চৌকি দখলসহ তালেবানের যেসব ক্ষয়ক্ষতির দাবি পাকিস্তানের

মুখ্যমন্ত্রিত্ব হারিয়েছিলেন যে মামলায়, সেটাতে খালাস পেলেন কেজরিওয়াল

ব্রিটিশ নিষেধাজ্ঞার মুখে রোসাটম, রূপপুর পরমাণু প্রকল্পে কী প্রভাব পড়বে

ইরান আক্রমণের পথ খোলা রেখেছেন ট্রাম্প, দীর্ঘমেয়াদি যুদ্ধের চিন্তা নেই: ভ্যান্স

রাজনৈতিক সম্মেলনের আগে ৯ শীর্ষস্থানীয় সেনা কর্মকর্তাকে সরাল চীন

পাকিস্তানি হামলা বন্ধ, ব্যাপক সংঘাতে জড়াতে অনিচ্ছুক তালেবান