ইরানের ছোঁড়া ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাতে জেরুজালেমে অন্তত ছয়জন নিহত এবং কয়েক ডজন মানুষ আহত হয়েছেন। আজ রোববার স্থানীয় পুলিশের বরাত দিয়ে এ তথ্য জানিয়েছে ইসরায়েলি সংবাদমাধ্যম জেরুজালেম পোস্ট। মধ্য ইসরায়েলের আরেকটি স্থানেও ক্ষেপণাস্ত্র আঘাত হানার খবর পাওয়া গেছে।
ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের যৌথ সামরিক অভিযান ‘অপারেশন রোরিং লায়ন’-এর দ্বিতীয় দিনে এই পাল্টা হামলার ঘটনা ঘটল। জেরুজালেমে ক্ষেপণাস্ত্র আঘাত হানার পরপরই জাতীয় জরুরি সেবা মাগেন ডেভিড অ্যাডমের (এমডিএ) প্রায় ৩০টি অ্যাম্বুলেন্স ঘটনাস্থলে পাঠানো হয়েছে। ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনী (আইডিএফ) জানিয়েছে, হোম ফ্রন্ট কমান্ডের উদ্ধারকারী দল এবং অসংখ্য চিকিৎসাকর্মী আহতদের উদ্ধারে কাজ করছেন। গুরুতর আহতদের হাসপাতালে নেওয়ার জন্য হেলিকপ্টারও ব্যবহার করা হচ্ছে।
এদিকে আজ সকালে ইসরায়েলজুড়ে প্রথম দফা সাইরেন বাজার সময় ‘সেফ রুমে’ যাওয়ার পথে ৬০ বছর বয়সী এক নারীর মৃত্যু হয়েছে। ইচিলভ হাসপাতালের জরুরি বিভাগ জানিয়েছে, সাইরেন শুনে দৌড়ে সেফ রুমে যাওয়ার সময় ওই নারীর শ্বাসকষ্ট শুরু হয়। অ্যাম্বুলেন্সে তাঁকে কৃত্রিমভাবে শ্বাস দেওয়ার চেষ্টা করা হলেও শেষ পর্যন্ত চিকিৎসকেরা তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।
এ ছাড়া বেত শেমেশ এলাকায় ‘হাইওয়ে ৩৮’-এর কাছেও একটি ক্ষেপণাস্ত্র আঘাত হেনেছে বলে জানিয়েছে এমডিএ। তবে সেখানে কেউ গুরুতর আহত হননি এবং কাউকে হাসপাতালেও নিতে হয়নি।
ইসরায়েলের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, রোববার সকাল ৮টা পর্যন্ত ‘অপারেশন রোরিং লায়ন’ শুরু হওয়ার পর থেকে মোট ৪৫৬ জনকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এমডিএ জানিয়েছে, ক্ষেপণাস্ত্রের সরাসরি আঘাত ছাড়াও সাইরেন শুনে নিরাপদ স্থানে আশ্রয় নিতে গিয়ে দৌড়াদৌড়ির সময় অনেকে আহত হয়ে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।