হোম > স্বাস্থ্য > চিকিৎসকের পরামর্শ

ইনসুলিন রেজিস্ট্যান্সের প্রতিরোধ ও চিকিৎসা

ফিচার ডেস্ক

ডায়াবেটিস ও উচ্চ রক্তচাপের মতো বেশ কয়েকটি ক্রনিক রোগের মূলে রয়েছে ইনসুলিন রেজিস্ট্যান্স। মেটাবলিক এই রোগের মূল কারণ অস্বাস্থ্যকর জীবনযাপন। ইনসুলিন রেজিস্ট্যান্সের প্রকোপ কমাতে এবং প্রতিরোধ করতে জীবনযাত্রায় পরিবর্তন আনতে হবে। এর মধ্যে রয়েছে—

খাদ্যাভ্যাস নিয়ন্ত্রণ: সরল শর্করা, যেমন ভাত, চিনি, ময়দা এবং প্রক্রিয়াজাত খাবার কমিয়ে শাক-সবজি, প্রোটিন ও আঁশযুক্ত খাবার খেতে হবে বেশি পরিমাণে।

নিয়মিত ব্যায়াম: সপ্তাহে অন্তত ১৫০ মিনিট ব্যায়াম বা হাঁটাচলা করতে হবে। এতে হৃদ্‌যন্ত্রের স্বাস্থ্য ও ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে থাকে, ওজন নিয়ন্ত্রণ ও চর্বি কমে, হাড় ও জয়েন্টের শক্তি বৃদ্ধি হয়, মস্তিষ্কের কার্যক্ষমতা ও স্মৃতিশক্তি বাড়ে, মানসিক স্বাস্থ্য ও ভালো ঘুম হয়, রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ে।

ঘুম ও ওজন নিয়ন্ত্রণ: রাতে ছয় থেকে আট ঘণ্টা নিরবচ্ছিন্নভাবে ঘুমাতে হবে এবং ঝেড়ে ফেলতে হবে দেহের অতিরিক্ত ওজন। জীবনযাত্রার পরিবর্তনের পাশাপাশি হরমোন বা ডায়াবেটিস বিশেষজ্ঞের পরামর্শে ওষুধ ব্যবহার করা যেতে পারে। কিছু ওষুধ দেহের ইনসুলিন সংবেদনশীলতা বাড়ায় এবং লিভার থেকে গ্লুকোজ নিঃসরণ কমায়। এ ছাড়া জিএলপি-১ অ্যানালগস ব্যবহারে রক্তে সুগার নিয়ন্ত্রণের পাশাপাশি ওজন কমানো এবং ইনসুলিনের কার্যক্ষমতা বৃদ্ধি করা যায়। চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া কোনো ধরনের ওষুধ গ্রহণ করা যাবে না।

স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস এবং চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী চললে ইনসুলিন রেজিস্ট্যান্স কমিয়ে ডায়াবেটিস ও হৃদ্‌রোগের জটিলতা থেকে পুরোপুরি মুক্ত থাকা সম্ভব। তাই এর উপসর্গ দেখা দিলে দেরি না করে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

দীর্ঘস্থায়ী কিডনি রোগে দরকার সচেতনতা

চশমার বিকল্প আইসিএল সার্জারি, যা জানা জরুরি

ভয় নয়, সচেতনতা ও সঠিক চিকিৎসা রক্ষা করবে জীবন

আপনার চোখ নিরাপদে রাখুন

প্রাপ্তবয়স্ক ব্যক্তিরা পর্যাপ্ত খাওয়াদাওয়া ও ঘুমানো সত্ত্বেও কেন অপুষ্টিতে ভোগেন

ডেঙ্গুতে অন্ধবিশ্বাস নাকি বিজ্ঞানসম্মত পুষ্টি

জন্মগত ছানি: শিশুর দৃষ্টির পথে নীরব বাধা

কতটা জরুরি এই টিকা

বর্ষাকালীন রোগ প্রতিরোধের উপায়

বংশগত চোখের রোগ রেটিনাইটিস পিগমেন্টোসা