দেশে হামের উপসর্গ নিয়ে মৃত্যু অব্যাহত রয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে আরও সাতজনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে চলতি বছর এখন পর্যন্ত হামের উপসর্গ নিয়ে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১ হাজার ১১০ জনে। একই সময়ে নিশ্চিতভাবে হামে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছে ১০৪ জন। সব মিলিয়ে হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে মোট মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১ হাজার ২১৪।
আজ শুক্রবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে। এতে গতকাল বৃহস্পতিবার সকাল ৮টা থেকে আজ সকাল ৮টা পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টার হিসাব তুলে ধরা হয়েছে।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় ১ হাজার ১১০ জনের মধ্যে হামের উপসর্গ দেখা গেছে। এ সময়ে পরীক্ষায় ২৫ জনের শরীরে হাম শনাক্ত হয়েছে। গত ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত দেশে ২ লাখ ১৮ হাজার ৮৭০ জনের মধ্যে হামের উপসর্গ দেখা গেছে। একই সময়ে নিশ্চিতভাবে হামে আক্রান্ত হয়েছে ২৩ হাজার ২৭৩ জন।
গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে মারা যাওয়া সাতজনের মধ্যে দুজন ঢাকা বিভাগের, তিনজন সিলেট বিভাগের, একজন চট্টগ্রাম বিভাগের এবং একজন ময়মনসিংহ বিভাগের হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিল।
চলতি বছর হামের উপসর্গ নিয়ে সবচেয়ে বেশি ৪৯৮ জনের মৃত্যু হয়েছে ঢাকা বিভাগে। এরপর সিলেট বিভাগে ১৯৭ জন, চট্টগ্রামে ১০৩, রাজশাহীতে ৯৩, ময়মনসিংহে ৮৬, বরিশালে ৬৫, খুলনায় ৫১ এবং রংপুর বিভাগে ১৭ জনের মৃত্যু হয়েছে।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নিয়মিত পরিসংখ্যানে হামের উপসর্গ নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হওয়া রোগী ও মৃত্যুর বয়সভিত্তিক তথ্য পাওয়া যায় না। ফলে কোন বয়সী মানুষ বা শিশুরা বেশি আক্রান্ত হচ্ছে এবং কোন বয়সীদের মধ্যে মৃত্যুহার বেশি, তা এসব পরিসংখ্যান থেকে নির্দিষ্টভাবে বোঝা যায় না। রোগতত্ত্ববিদেরা বলছেন, হাম যেকোনো বয়সী মানুষের হতে পারে, তবে শিশুরা এ রোগে বেশি আক্রান্ত হয়।