সারা দিন ধরে আকাশের মেঘগুলো বিভিন্ন ধরনের পশুপাখি আর শিশু তৈরি করে। যখন তৈরি করা শেষ হয়, প্রতিটি মেঘের কাছে একটি সারস পাখি এসে তা পৌঁছে দেয় মানুষের কাছে। আকাশে বাকি মেঘের পাশাপাশি একটি ধূসর রঙের মেঘ ছিল। তার নাম ছিল গাচ। খুব একা ছিল সে। সুন্দর সুন্দর প্রাণী বানানোর চেষ্টা করে বারবার গাচ ব্যর্থ হতো। তার বানানো সব প্রাণীই অদ্ভুতুড়ে আর ভয়ংকর। যখন প্রাণীগুলো নিয়ে যেতে সারস পাখি আসত, বেশ ঝক্কি পোহাতে হতো। এই যেমন একবার গাচ কুমির বানায়, আর সেই কুমির সারস পাখিকে কামড়াতে থাকে। আবার একবার শজারু বানালে শজারুর সব কাঁটা সারস পাখির গায়ে ঢুকে যায়। শেষে গাচ যখন হাঙর বানায়, সারস পাখিটি সেটা না নিয়ে অন্য একটি মেঘের কাছে চলে যায়।
গাচের খুব মন খারাপ হয়। রাগ হয়। রাগের কারণে বজ্রপাত শুরু হয়। কান্না শুরু করলে পৃথিবীতে প্রচণ্ড বৃষ্টি নামে। কিন্তু সারস পাখিটি আসলে গাচকে ছেড়ে যায়নি। সে অন্য মেঘ থেকে একটি হেলমেট আর একটি পোশাক নিয়ে আসে গাচের কাছে। যাতে গাচ যা-ই বানাক না কেন, তার যেন কষ্ট না হয়। গাচ খুব খুশি হয়। এই খুশিতে সে একটা ইল মাছ বানায়, আর সেই ইল মাছ থেকে কারেন্টের শক খেয়ে বসে সারস পাখিটি। কিছুতেই যেন রক্ষা মেলে না তার। এসব ঘটনা খুবই মজার, তাই না?
এমন সব অদ্ভুতুড়ে আর মজার ঘটনার দেখা মিলবে ডিজনির স্বল্পদৈর্ঘ্য সিনেমা ‘পার্টলি ক্লাউডি’তে। পরিচালনা করেছেন পিটার শন।