‘ইউ’ একটি জনপ্রিয় সোশ্যাল মিডিয়া। এখানে মানুষ নিজের আসল পরিচয় লুকিয়ে নতুনভাবে ভার্চুয়াল জীবন শুরু করতে পারে। ইউর ৫০ লাখ ব্যবহারকারীর মধ্যে বেল নামে এক ব্যবহারকারী সবার নজরে আসে। বেল খুব ভালো গান গাইতে পারে, তার গানের সুরে মাতোয়ারা সবাই। কিন্তু সবার মাঝে একই প্রশ্ন জাগে, কে এই মেয়ে? কীভাবে এত মিষ্টি করে গান গেয়ে সবার মন ছুঁয়ে যায় সে? কারণ, এই ভার্চুয়াল জগতে সবাই নিজের আসল পরিচয় লুকিয়ে নতুন জীবন শুরু করে। ভার্চুয়ালিটির পেছনে লুকিয়ে থাকা মানুষটি সম্পর্কে কেউই জানতে পারে না।
গ্রামের এক হাইস্কুলে পড়া সুজু নাইতোর অতীত খুবই দুর্বিষহ। সব পেছনে ঠেলে সে যখন কিছু করার ইচ্ছা নিয়ে হাজির হয়, বারবারই সে ব্যর্থ হয়। কিন্তু সুজু যখন ভার্চুয়াল জগতে প্রবেশ করে, তখন সবাই তার গানের গলার মোহে পড়ে যায়। ভার্চুয়াল জগতের বিখ্যাত সেই মেয়েটিই এই সুজু। তার নতুন নাম হয় বেল।
এদিকে তার একটি কনসার্ট চলার সময় ড্রাগন নামের একটি দৈত্যের দেখা মেলে। সবাই আতঙ্কিত হয়ে পড়ে। সুজু সিদ্ধান্ত নেয়, দানবের আসল পরিচয় বের করে আনবে এবং সবাইকে ভয় থেকে মুক্ত করে ছাড়বে।
শুরু হয় সুজুর এক দুর্দমনীয় পথ চলা। নিজের পরিচয় লুকিয়ে, গান গেয়ে নিজের খ্যাতি ধরে রেখে ওই দানবের পরিচয় বের করে আনার অসম্ভব এবং দুঃসাহসী লড়াইয়ে নেমে পড়ে সুজু।
কী মনে হচ্ছে? শেষ পর্যন্ত সুজু সফল হবে তো?
এসব জানতে দেখে ফেলো, জাপানি ভাষায় নির্মিত এনিমে ‘বেল’। স্টুডিও চিজু থেকে মুক্তি পাওয়া এ সিনেমা পরিচালনা করেছেন মামোরু হোসাদা।