হোম > বিনোদন > সিনেমা

মাত্র ৩ কোটির সিনেমা, আয় ছাড়াল শতকোটি

বিনোদন ডেস্ক

‘প্রেমাদা উরালি’ সিনেমার পোস্টার

স্বল্প বাজেটের সিনেমার জন্য ২০২৬ সালটি অভাবনীয় সাফল্যের বছর। আর এই সাফল্যের সবচেয়ে বড় সমার্থক হয়ে উঠেছে কন্নড় সিনেমা ‘প্রেমাদা উরালি’। মাত্র ৩ কোটি রুপি বাজেটে নির্মিত সিনেমাটি এরই মধ্যে আয় করেছে ১১৩ কোটির বেশি। কন্নড় ইন্ডাস্ট্রির সবচেয়ে লাভজনক সিনেমার রেকর্ড গড়ে লাভের হারের দিক থেকে এটি পেছনে ফেলে দিয়েছে ‘কেজিএফ’ ও ‘কান্তারা’র মতো ব্লকবাস্টারকেও।

গ্রামীণ পটভূমিতে নির্মিত প্রেমাদা উরালি মূলত একটি রোমান্টিক-পারিবারিক ড্রামা। গল্পের কেন্দ্রে রয়েছে এক বাবা ও ছেলে। তাদের পরিবারে যখন এক আধুনিক পুত্রবধূর আগমন ঘটে, তখন পাল্টে যায় পুরো পরিবারের চিত্র। সামাজিক রীতিনীতির বিরুদ্ধে এক নারীর সংগ্রামের গল্পও এখানে দারুণভাবে ফুটে উঠেছে। গ্রামের সাধারণ মানুষের আবেগ ও যাপিত জীবনের সঙ্গে মিলে যাওয়ায় গল্পটি দর্শকদের এত ভালো লেগেছে।

অথচ প্রেমাদা উরালির নির্মাণ ও মুক্তির পথটা মোটেও মসৃণ ছিল না। সিনেমার চিত্রগ্রাহক রাজকান্ত এসকে সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে জানান, প্রচার ও মুক্তির জন্য তাঁরা যখন মাত্র ১৫ লাখ রুপির আশায় বড় প্রযোজকদের দ্বারে দ্বারে ঘুরেছেন, তখন সবাই তাঁদের ফিরিয়ে দিয়েছিলেন।

কিন্তু সিনেমাটি সাফল্য পাওয়ার পর তাঁদের অনেকেই এখন আক্ষেপ করছেন, পরিচালকের সাক্ষাৎ পাওয়ার জন্য মরিয়া হয়ে উঠেছেন।

রাজকান্ত জানান, বাজেট-স্বল্পতার কারণে চরম প্রতিকূলতার মধ্যে শুটিং করতে হয়েছে তাঁদের। ১০০ জনের বেশি কলাকুশলীর থাকার জন্য ভালো কোনো হোটেলের ব্যবস্থা করা সম্ভব হয়নি। একটি সাধারণ মিলনায়তন ভাড়া করা হয়, সেখানেই মেঝেতে ঘুমাতেন সবাই। তবে পরিচালক মনোজ কুমারের নিজ গ্রামে শুটিং হওয়ায় গ্রামের মানুষেরা নানাভাবে সহযোগিতা করেছেন তাঁদের।

যেকোনো সিনেমার সাফল্যের নেপথ্যে প্রচার-প্রচারণা বড় ভূমিকা রাখে। কিন্তু বড় কোনো ইভেন্ট করার মতো আর্থিক সংগতি না থাকায় পরিচালক অভিনব উপায় বেছে নেন। কর্ণাটকের অটোরিকশাগুলোর পেছনে ১০ হাজার রেডিয়াম স্টিকার লাগানোর ব্যবস্থা করেন তিনি। এ ছাড়া বিয়ের কার্ডের মতো আমন্ত্রণপত্র ছাপিয়ে সাধারণ মানুষের হাতে হাতে দিয়ে সিনেমাটি দেখার অনুরোধ করেন তাঁরা।

মুক্তির আগে শেষ মুহূর্তে অনেক হলের মালিক শো বাতিল করলেও এখন পরিস্থিতি সম্পূর্ণ উল্টো। মুক্তির ২৯তম দিনেও প্রেমাদা উরালির সাত শর বেশি শো চলছে, হাউসফুল যাচ্ছে প্রতিটি শো। দর্শকদের উপচে পড়া ভিড় সামলাতে সিনেমা হলগুলোতে অতিরিক্ত চেয়ার ও কার্পেট বিছাতে হচ্ছে।

শত প্রত্যাখ্যান আর সংকটের মুখেও হার না মানা একদল তরুণের এই জয়যাত্রা এখন পুরো ভারতীয় সিনেমার জন্যই হয়ে উঠেছে অনুপ্রেরণার বিষয়।

শরৎচন্দ্রের সৌদামিনী হয়ে আসছেন রাজ রিপা

নেটফ্লিক্সে মোশাররফ করিম অভিনীত দুই সিরিজ

মুক্তির তালিকায় থাকা নির্বাচিত সিনেমা ও সিরিজ

মুক্তি পাচ্ছে দেশ-বিদেশের দুই সিনেমা

ধীমনের নতুন ইংরেজি সিনেমা ‘ডিটেকটিভ’

সৌখিনের পরিচালনায় অপূর্ব-নিহার ‘ভালো আছো তো?’

ঐতিহ্য, আবেগ আর বাঙালিয়ানায় মুখর মল্লিক ও মুখার্জিবাড়ির পূজা আয়োজন

নান্দনিকের ৪৯ বছর পূর্তিতে নাটক ও সিনেমার প্রদর্শনী

১০ বছর পর ওটিটিতে রাজ-তুষির প্রথম সিনেমা

রাশিয়ার উৎসবে স্বল্পদৈর্ঘ্য ‘নিশি’