প্রতি সপ্তাহে নতুন সিনেমা বা ওয়েব সিরিজের জন্য দর্শকদের নজর থাকে ওটিটি প্ল্যাটফর্মে। এ সপ্তাহেও মুক্তি পাচ্ছে নানা দেশের, নানা ভাষার কনটেন্ট। বাছাই করা এমন কিছু কনটেন্টের খোঁজ থাকছে এ প্রতিবেদনে।
গল্পসংক্ষেপ: গোয়েন্দা এনোলা হোমস তার জীবনের সবচেয়ে কঠিন চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হয়। মাল্টায় এনোলার বিয়ের পরিকল্পনা চলছিল। কিন্তু বিয়ের আগ মুহূর্তে তার ভাই শার্লক হোমস রহস্যজনকভাবে নিখোঁজ হয়ে যায়। ভাইকে খুঁজতে গিয়ে এনোলা এক বিশাল ষড়যন্ত্রের মধ্যে পড়ে যায়।
এলি (ইংরেজি সিরিজ)
মুক্তি: প্রাইম ভিডিও (১ জুলাই)
অভিনয়: লেক্সি মিনেট্রি, জুন ডায়ান রাফায়েল
গল্পসংক্ষেপ: ‘লিগ্যালি ব্লন্ড’ সিরিজের প্রিকুয়েল এটি। এতে উঠে এসেছে এলি উডসের হাইস্কুল জীবনের গল্প। হঠাৎ এলির পুরো পরিবারকে লস অ্যাঞ্জেলেস ছেড়ে চলে যেতে হয় সিয়াটলে। সেখানে গিয়ে হাসিখুশি চরিত্রের এলি বিষণ্নতায় ভুগতে শুরু করে। নতুন স্কুলে খাপ খাওয়াতে পারে না। কিন্তু সে তার সততা আর বুদ্ধিমত্তা দিয়ে দ্রুত এ পরিস্থিতি কাটিয়ে ওঠে।
সুপার সুব্বু (তেলুগু সিরিজ)
মুক্তি: নেটফ্লিক্স (২ জুলাই)
অভিনয়: সন্দীপ কিষাণ, মিথিলা পালকার, মুরালি শর্মা
গল্পসংক্ষেপ: তেলেঙ্গানার এক চরম রক্ষণশীল গ্রাম, যেখানে যৌনতা বা প্রজনন স্বাস্থ্য নিয়ে কথা বলা এখনো ট্যাবু, সেখানে যৌনশিক্ষাবিষয়ক শিক্ষক হিসেবে চাকরি পায় সুব্বু। ঋতুস্রাব, জন্মনিরোধক ব্যবস্থা, নিরাপদ শারীরিক সম্পর্কের মতো স্পর্শকাতর বিষয়ে সচেতনতা তৈরি করতে নানা বাধার মুখে পড়তে হয় সুব্বুকে। এটি নেটফ্লিক্সে তেলুগু ভাষার প্রথম সিরিজ।
প্রীতম অ্যান্ড পেড্রো (হিন্দি সিরিজ)
মুক্তি: জিও হটস্টার (৩ জুলাই)
অভিনয়: আরশাদ ওয়ারসি, বিক্রান্ত ম্যাসি, বীর হিরানি
গল্পসংক্ষেপ: ভিন্নধর্মী দুই পুলিশ কর্মকর্তার গল্প। পেড্রো একজন অভিজ্ঞ ও পুরোনো ধ্যানধারণার পুলিশ কর্মকর্তা। শাস্তি হিসেবে তাকে ক্রাইম ব্রাঞ্চ থেকে সাইবার সেলে বদলি করা হয়েছে। অন্যদিকে প্রীতম সাইবার সেলের একজন তরুণ, চতুর ও প্রযুক্তি-বিশেষজ্ঞ হ্যাকার। এক মন্ত্রীর ছেলে অপহরণের ঘটনায় একসঙ্গে কাজ করতে হয় পেড্রো ও প্রীতমকে। বাধে নানা বিপত্তি।
গল্পসংক্ষেপ: ভবিষ্যতের পৃথিবীর গল্প। মাটির নিচে এক বিশাল আকৃতির বাঙ্কার বা সিলোতে বাস করে বেঁচে থাকা অবশিষ্ট ১০ হাজার মানুষ। তৃতীয় সিজনে গল্পটি দুই ভাগ হয়ে গেছে। একদিকে জুলিয়েট স্মৃতি হারিয়ে সিলোর নতুন মেয়র হিসেবে ভেতরের রাজনীতি সামলাচ্ছে। অন্যদিকে গল্পটি ৩৫০ বছর অতীতে ফিরে গিয়ে দেখাবে—কী কারণে মানুষ মাটির নিচে এই সিলো তৈরি করতে বাধ্য হয়েছিল এবং কোন বিপর্যয়ের কারণে পৃথিবী ধ্বংস হয়েছিল।