১০ মে থেকে রাজধানীর শিল্পকলা একাডেমিতে শুরু হয়েছে জাতীয় সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য সংরক্ষণ ও মনীষীদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন অনুষ্ঠান। বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির আয়োজনে এবং সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের পৃষ্ঠপোষকতায় ১০ দিনব্যাপী এই আয়োজন শেষ হবে ২০ মে, স্মরণ করা হবে ৪৫ গুণীজনকে।
যাঁদের স্মরণ করা হবে, তাঁদের মধ্যে রয়েছেন ওস্তাদ গুল মোহাম্মদ খাঁ, ওস্তাদ বারীণ মজুমদার, অতুলপ্রসাদ সেন, ওস্তাদ আলাউদ্দিন খাঁ, ওস্তাদ আলী আকবর খাঁ, আজম খান, ওস্তাদ আয়েত আলী খাঁ, সত্য সাহা, খান আতাউর রহমান, হাসন রাজা, বারী সিদ্দিকী, শাহ আবদুল করিম, আবদুল আলীম, লাকী আখান্দ্, আইয়ুব বাচ্চু, ফরিদা ইয়াসমিন, আব্দুল লতিফ, আব্দুর রহমান বয়াতি, ফকির আলমগীর, নিলুফার ইয়াসমিন, মাহমুদুন্নবী, উকিল মুন্সী, আহমেদ ইমতিয়াজ বুলবুল, শাহনাজ রহমতউল্লাহ প্রমুখ।
এই আয়োজনের তৃতীয় দিনে গতকাল বিকেল ৪টায় জাতীয় সংগীত ও নৃত্যকলা কেন্দ্র মিলনায়তনে প্রথম পর্বে স্মরণ করা হয় পণ্ডিত রবিশঙ্করকে। বিশ্ববিখ্যাত এই সেতারবাদক ও সুরকার শাস্ত্রীয় সংগীতকে পৌঁছে দিয়েছেন বিশ্ব দরবারে। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির সচিব মোহাম্মদ জাকির হোসেন। মুখ্য আলোচক ছিলেন ইউনিভার্সিটি অব ডেভেলপমেন্ট অলটারনেটিভের সংগীত বিভাগের প্রধান অধ্যাপক অসিত দে।
বিকেল ৫টায় স্মরণ করা হয় উপমহাদেশের প্রখ্যাত উচ্চাঙ্গসংগীতশিল্পী, সেতার ও সুরবাহারবাদক সংগীতজ্ঞ ওস্তাদ আয়েত আলী খাঁকে। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব (প্রশাসন) মু. বিল্লাল হোসেন খান। মুখ্য আলোচক ছিলেন সংগীতশিল্পী ফওজিয়া খান।
সন্ধ্যা ৬টায় স্মরণ করা হয় উপমহাদেশীয় শাস্ত্রীয় সংগীতের কিংবদন্তি সংগীতজ্ঞ ওস্তাদ আলাউদ্দিন খাঁ এবং সন্ধ্যা ৭টায় স্মরণ করা হয় ব্রতচারী আন্দোলনের প্রতিষ্ঠাতা হিসেবে বহুল পরিচিত গুরু সদয় দত্তকে।
এই আয়োজন নিয়ে শিল্পকলা একাডেমির মহাপরিচালক শেখ রেজাউদ্দিন আহমেদ বলেন, ‘আমরা একাডেমির পক্ষ থেকে আমাদের গুণীজনদের জীবন ও কর্ম নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরতে চাই। শিল্প-সংস্কৃতিতে তাঁদের অবদান, আমাদের অতীত ঐতিহ্য সম্পর্কে এ প্রজন্মের তরুণদের জানাতে চাই।’