কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারীতে আলতাফ হোসেন ফিরোজ (১৮) নামের এক যুবককে কুপিয়ে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। গতকাল শনিবার মধ্যরাতে ভূরুঙ্গামারী উপজেলার বলদিয়া ইউনিয়নের রাঙ্গালীর কুটি গ্রামে এই হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটে।
নিহত আলতাফ হোসেন ফিরোজ ওই গ্রামের মল্লুক চানের ছেলে। স্থানীয়দের ধারণা, প্রেমঘটিত কারণে ফিরোজকে হত্যা করা হয়ে থাকতে পারে।
নিহতের পরিবার সূত্রে জানা গেছে, ফিরোজ বলদিয়া ইউনিয়নের রাঙ্গালীর কুটি গ্রামের মুদিদোকানি। শনিবার রাত ১২টার দিকে দোকান বন্ধ করে মোটরসাইকেলে বাড়িতে ফেরার পথে একটি বাঁশবাগানের কাছে এলে দুর্বৃত্তরা তাঁর গতি রোধ করে মাথায় ধারালো অস্ত্র দিয়ে আঘাত করে এবং মারধর করে। এ সময় তাঁর চিৎকার শুনে স্থানীয়রা গিয়ে তাঁকে সড়কের ওপর রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখে। সেখান থেকে তাঁকে উদ্ধার করে বাড়িতে নেওয়ার পথে তিনি মারা যান। পরে কচাকাটা থানার পুলিশ নিহতের মরদেহ উদ্ধার করে রোববার সকালে ময়নাতদন্তের জন্য কুড়িগ্রাম সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠায়।
স্থানীয় বাসিন্দা রফিকুল ইসলাম ও জুলমাত আলী জানান, রাতে মানুষের চিৎকার শুনে দৌড়ে গিয়ে জানতে পারেন দুর্বৃত্তরা ফিরোজকে কুপিয়ে মেরে ফেলেছে। তাঁর মাথায় ধারালো অস্ত্রের আঘাতের চিহ্ন ছিল।
নিহতের বড় ভাই সাদ্দাম হোসেনের স্ত্রী জেসমিন আক্তার বলেন, ‘ফিরোজ খুব সহজ-সরল ছেলে ছিল। যারা ফিরোজকে হত্যা করেছে, আমরা তাদের বিচার চাই।’
কচাকাটা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জাহেদুল ইসলাম বলেন, ‘আলতাফ হোসেন ফিরোজের মাথায় আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে। ময়নাতদন্তের জন্য লাশ কুড়িগ্রাম সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। হত্যার প্রকৃত কারণ উদ্ঘাটন এবং দোষীদের আইনের আওতায় আনার কাজ চলছে।’