গাইবান্ধায় লুনা বেগম (২৮) নামে এক শিক্ষানবিশ আইনজীবীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। আজ মঙ্গলবার (৬ ডিসেম্বর) বিকেলে শহরের ধানঘড়া শাপলা মিল এলাকায় নিজ বাড়ি থেকে তাঁর মরদেহ উদ্ধার করা হয়। তিনি ওই এলাকার লিতু পরিবহনের স্বত্ত্বাধিকারী মিলন মিয়ার স্ত্রী। তাদের দুই মেয়ে রয়েছে।
স্থানীয়রা ও স্বজনেরা জানান, মঙ্গলবার বিকেলে লুনা বেগম তাঁর শয়ন কক্ষে ঢোকেন। দীর্ঘ সময় রুমের ভেতর থেকে কোনো সাড়াশব্দ না পাওয়া যায়নি। পরে ঘরের দরজা ভেঙে ফ্যানের সঙ্গে ঝুলন্ত অবস্থায় পান স্বজনেরা। তাঁকে উদ্ধার করে সদর হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করে। পারিবারিক কলহের জেরে আত্নহত্যা করতে পারে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করছেন তাঁরা।
লুনা বেগমের স্বামী মিলন মিয়া বলেন, ‘প্রতিদিনের ন্যায় দুপুরে খাবারে খেয়ে গাড়ির কাউন্টারে যাই। হঠাৎ বিকেল ৫টার দিকে বাসা থেকে ফোন দিয়ে বলা হয় আমার স্ত্রী ফ্যানের সঙ্গে ঝুলে আত্নহত্যা করছে। তাঁকে উদ্ধার করে জেলা হাসপাতালে নেওয়া হয়। পরে আমি হাসপাতালে গিয়ে শুনি আমার স্ত্রী মারা গেছে।’
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে গাইবান্ধা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাসুদুর রহমান আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘লুনা বেগম নামের এক নারীর মৃত্যুর খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। পুলিশ এখনো থানায় আসেনি। আত্নহত্যা নাকি হত্যা বিষয়টি খতিয়ে দেখে পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
সদর থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) ওয়াহেদুল ইসলাম বলেন, ‘মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য গাইবান্ধা সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট অনুযায়ী পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’