হোম > সারা দেশ > খুলনা

খুলনায় পক্ষপাতের অভিযোগ পরওয়ারের, সুষ্ঠু নির্বাচন নিয়ে শঙ্কা মঞ্জুর

নিজস্ব প্রতিবেদক, খুলনা 

খুলনা রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়ে ইশতেহার পাঠ অনুষ্ঠান। ছবি: আজকের পত্রিকা

নির্বাচন কমিশনের (ইসি) বিরুদ্ধে পক্ষপাতদুষ্টের অভিযোগ করে সবার দিকে সমান দৃষ্টিতে দেখার আহ্বান জানিয়েছেন খুলনা-৫ আসনের প্রার্থী ও জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার। অপর দিকে খুলনা-২ আসনে বিএনপির প্রার্থী নজরুল ইসলাম মঞ্জু আইনশৃঙ্খলার চরম অবনতিতে উদ্বেগ প্রকাশ করে সুষ্ঠু নির্বাচন নিয়ে শঙ্কা প্রকাশ করেছেন।

আজ বুধবার দুপুরে খুলনা জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তার সম্মেলনকক্ষে প্রতীক বরাদ্দ ও ইশতেহার পাঠ অনুষ্ঠানে বক্তব্য প্রদানকালে এসব কথা বলেন তাঁরা।

মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেন, ‘চোখের চোখটা সমান হওয়া দরকার। আপনারা দেখছেন যে, কোনো কোনো প্রার্থী অবাধে সমাবেশ করছেন, প্রতীকের কথা বলছেন, নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি দিচ্ছেন এবং সেটা সোশ্যাল মিডিয়ায় ব্যাপক প্রচার হচ্ছে।’

পরওয়ার বলেন, ‘সেখানে কোনো শোকজ, কোনো ব্যবস্থা এসেছে বলে আমরা জানি না। আবার কোনো কোনো প্রার্থীর কোনো প্রমাণ ছাড়াই, হয়তো কেউ অটো অভিযোগ করেছেন—এই উনি ওখানে গিয়েছেন। অথচ আমি ইলেকশন কমিশনের সচিব মহোদয়ের সঙ্গে কথা বলে জেনে নিয়েছি যে, আমরা প্রকাশ্য প্রচারণা শুরু করার আগে কী কী করতে পারব।’

মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেন, ‘উনি আমাকে স্পেসিফিক বলেছেন, আপনারা বাড়ি বাড়ি যেতে পারবেন, গণসংযোগ করতে পারবেন, মানুষের বাড়িতে গিয়ে আপনি নিজে প্রার্থী এটা বলতে পারবেন। আমি আপনাকে এটা বলছি, আমাকে স্পেসিফিক নিজে বলেছেন। তো সেটা আমি যেতে গেলে আমার সঙ্গে পরিচয়পত্র থাকবেই।’

জামায়াতের এ প্রার্থী বলেন, ‘যারাই প্রার্থী, সবার দিকে চোখটা যেন থাকে। একটা দিকে চোখ গেলে আমরা বুঝব যে, ১৮ কোটি মানুষের প্রত্যাশিত নির্বাচন নিরপেক্ষ করার যে স্বপ্ন, তারা বসে আছে আপনার আশপাশে, তারাই হয়তো স্বপ্নটা নষ্ট করছে।’

খুলনা মহানগর বিএনপির সাবেক সভাপতি নজরুল ইসলাম মঞ্জু বলেন, এবারের নির্বাচনে আচরণবিধি, নির্বাচনী শিডিউলসহ অনেক কিছুই বাদ দেওয়া হয়েছে। খুলনার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ভয়াবহ রূপ লাভ করেছে। গত এক বছরে যে খুনের ঘটনা ঘটেছে, তা কয়েক দশকের মধ্যে সর্বোচ্চ। এক বছরে ৫২টি খুন ও ৫০-এর ওপরে লাশ নদীতে পাওয়া গেছে।

মঞ্জু বলেন, ‘এই সময়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী, গোয়েন্দা নজরদারি দৃশ্যমান মনে হয়নি। কাজেই, অবৈধ অস্ত্র উদ্ধারে অভিযান পরিচালনা করতে হবে, খুনিদের গ্রেপ্তার করতে হবে। শক্ত চেকপোস্ট বসাতে হবে। গোয়েন্দা নজরদারি বাড়াতে হবে। মুভমেন্টটা আরও বেশি দরকার। সেনাক্যাম্প বৃদ্ধি করা দরকার। ছোট ছোট ক্যাম্প করতে হবে।’

নজরুল ইসলাম মঞ্জু বলেন, শহরে নিরাপত্তা দিতে না পারলে ভয়হীন পরিবেশে নির্বাচন সুষ্ঠু হবে না। খুলনা শহরে শঙ্কা আছে। ফ্যাসিস্ট না থাকলেও সন্ত্রাসীরা বেপরোয়া। সর্বত্র মাদক ছড়িয়ে পড়েছে। মাদক বিক্রেতারা বেপরোয়া। জেলা ও নগরে অবাধে মাদক বিক্রি হচ্ছে।

মঞ্জু আরও বলেন, কাজেই শহর ও শহরের বাইরে নিরাপত্তা বাড়াতে হবে। এ বিষয়ে শক্ত পদক্ষেপ নেবেন। বিষয়টি সরকারকে জানাবেন। আইনশৃঙ্খলার দায়িত্বে নিয়োজিতদের সঙ্গে বসে পদক্ষেপ নেবেন।

খুলনার রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক আ স ম জামশেদ খোন্দকার বলেন, ‘খুলনার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি এখন আগের থেকে ভালো। আমরা ইতিমধ্যে পুলিশ, র‍্যাব ও অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সঙ্গে একাধিক বৈঠক করেছি।’

জামশেদ খোন্দকার বলেন, ‘নির্বাচনে সব কেন্দ্রকেই আমরা অধিক গুরুত্ব দিয়ে কাজ করছি। আইনশৃঙ্খলা যাতে অবনতি না ঘটে, সেদিকেই নজর দেওয়া হচ্ছে। আশা করি, সবাই মিলে একটা ভালো নির্বাচন করতে পারব।’

খাদ্যের বস্তা কেনায় দুর্নীতির অভিযোগ

খুলনায় জেলা পরিষদের সেই প্রশাসনিক কর্মকর্তাকে ‘স্ট্যান্ড রিলিজ’

খুলনায় এনসিপি নেতা পরিচয়ে চাঁদাবাজি, ৩ জন কারাগারে

এনসিপি পরিচয়ে আ.লীগ নেতার খোঁজে গিয়ে ২০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি, আটক ৩

খুলনায় মুফতি আমির হামজার বিরুদ্ধে মামলা

খুলনার ৬ আসন: সর্বোচ্চ ব্যয় করবেন বিএনপির আলী আসগর লবী

দুর্যোগে বন্য প্রাণী রক্ষা করবে ‘টাইগার টিলা’

ঝিনাইদহে সেনাবাহিনীর টহলগাড়ির সঙ্গে ট্রাকের সংঘর্ষ, আহত ৪ সেনাসদস্য

খুলনায় নারীর ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার

‘গুহা’ থেকে অপহৃত ম্যানেজার ২৪ ঘণ্টার মধ্যে উদ্ধার