হোম > বিশ্ব > ভারত

বিজেপির জাতীয় সভাপতি হলেন বিহারের নীতিন নবীন

আজকের পত্রিকা ডেস্ক­

বিজেপির নতুন জাতীয় সভাপতি নীতিন নবীন। ছবি: সংগৃহীত

ভারতে ক্ষমতাসীন ভারতীয় জনতা পার্টির (বিজেপি) জাতীয় সভাপতি হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন বিহারের বিধায়ক নীতিন নবীন। এর আগে, তিনি বিজেপির ভারপ্রাপ্ত জাতীয় সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। স্থানীয় সময় গতকাল সোমবার নীতিন নতুন জাতীয় সভাপতি হিসেবে নির্বাচিত হন। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম টেলিগ্রাফ ইন্ডিয়ার প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা গেছে।

গতকাল সোমবার বিজেপির জাতীয় সভাপতির পদে মনোনয়ন প্রক্রিয়া শেষ হওয়ার পর নতুন করে নিযুক্ত বিজেপির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি নীতিন নবীন বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় দলের জাতীয় সভাপতি নির্বাচিত হন। কারণ, ওই পদে মনোনয়ন জমা দেওয়া একমাত্র প্রার্থী ছিলেন তিনিই।

মোট ৩৭ সেট মনোনয়নপত্র নীতিন নবীনের সমর্থনে জমা পড়ে। বিষয়টি ঘোষণা করে বিজেপির জাতীয় রিটার্নিং অফিসার কে লক্ষ্মণ জানান, মনোনয়ন প্রত্যাহারের সময়সীমা শেষ হওয়ার পর বিজেপির জাতীয় সভাপতির পদে একমাত্র প্রস্তাবিত নাম ছিল নীতিন নবীন।

বিজেপির জাতীয় সভাপতি নির্বাচিত হন দলের জাতীয় ও রাজ্য পরিষদের সদস্যদের নিয়ে গঠিত একটি ইলেক্টোরাল কলেজের মাধ্যমে। তবে যদি বৈধ মনোনয়ন একজনের বেশি না থাকে, সে ক্ষেত্রে ভোটাভুটি ছাড়াই ওই প্রার্থীকে নির্বাচিত ঘোষণা করা হয়।

নীতিন নবীনের নির্বাচনের আনুষ্ঠানিক ঘোষণা মঙ্গলবার দলের সদর দপ্তরে এক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে করা হবে। ওই অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এবং দলের শীর্ষ নেতৃত্ব। বিজেপি এই ঘটনাকে দলের নেতৃত্বে একটি বড় প্রজন্মগত পরিবর্তন হিসেবে তুলে ধরতে চাইছে। ৪৫ বছর বয়সে নীতিন নবীন বিজেপির ইতিহাসে সর্বকনিষ্ঠ জাতীয় সভাপতি হতে চলেছেন।

নতুন সভাপতি তিন বছরের মেয়াদে দায়িত্ব পালন করবেন। এই সময়কালে বিজেপিকে একাধিক রাজ্যের বিধানসভা নির্বাচন এবং ২০২৯ সালের লোকসভা নির্বাচনের মুখোমুখি হতে হবে। ২০২৯ সালের নির্বাচনকে কেন্দ্র করে নরেন্দ্র মোদির উত্তরসূরি কে হবেন, সেই প্রশ্নও সামনে আসতে পারে।

দলের অন্দরমহলে নীতিন নবীনের উত্থানকে একটি বড় সাংগঠনিক রদবদলের ইঙ্গিত হিসেবে দেখা হচ্ছে, যার লক্ষ্য নতুন প্রজন্মের নেতৃত্বকে সামনে আনা। গত মাসে তাঁকে বিজেপির জাতীয় কার্যকরী সভাপতি করা হলেও বিষয়টি অনেকের কাছেই ছিল অপ্রত্যাশিত। বিহারের পাঁচবারের বিধায়ক ও প্রাক্তন মন্ত্রী হলেও, বিহারের বাইরে তিনি তুলনামূলকভাবে কম পরিচিত ছিলেন।

তাঁর বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচন এবং নির্বিঘ্ন নেতৃত্ব পরিবর্তনকে অনেকেই নরেন্দ্র মোদি ও অমিত শাহের যুগল আধিপত্যের প্রতিফলন হিসেবে দেখছেন—যা সরকার ও দল, উভয় ক্ষেত্রেই স্পষ্ট।

নারীদের সঙ্গে আপত্তিকর ভিডিও ফাঁস, কর্ণাটকে পুলিশের শীর্ষ কর্মকর্তা বরখাস্ত

কাশ্মীরে মসজিদের ওপর কড়া নজরদারি, মুসল্লিদের তথ্য নিচ্ছে মোদি সরকার

সুভাষ চন্দ্র বসুর নাতির ছেলেকেও নাগরিকত্বের প্রমাণ দিতে হবে, কমিশনের নোটিশে বিতর্ক

ট্রাম্পের শান্তি পরিষদে যোগ দেওয়ার আমন্ত্রণ পেল ভারত

তৃণমূলকে উচ্ছেদের সময় হয়ে গেছে: মালদহে মোদি

‘সুন্দরী নারী পুরুষকে বিচ্যুত করতে পারে’, ভারতীয় রাজনীতিকের বক্তব্যে তোলপাড়

ইরানের চাবাহার বন্দর নিয়ে চাপে ভারত, ট্রাম্পকে মানাতে মরিয়া দিল্লি

বিহারে সড়ক দুর্ঘটনায় কিশোরের মৃত্যু, মরদেহ উদ্ধার না করে মাছ লুটের হিড়িক

মুসলিম শিক্ষার্থী বেশি হওয়ায় কাশ্মীরে মেডিকেল কলেজ বন্ধ করে দিল মোদি সরকার

ভারতীয়দের শিগগির ইরান ত্যাগের নির্দেশ