সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রাইমারি শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষাসহ বিভিন্ন চাকরির পরীক্ষায় সহযোগীতার নামে গ্রুপ খুলে পরীক্ষার প্রশ্ন ফাঁসের নামে প্রতারণার অভিযোগে একজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশের কাউন্টার টেরোরিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম (সিটিটিসি) ইউনিট। গ্রেপ্তার হয়েছেন রিয়াদ হাসান।
আজ মঙ্গলবার সকালে বিষয়টি আজকের পত্রিকাকে জানিয়েছেন সিটিটিসির সিটি-ইন্টেলিজেন্স অ্যানালাইসিস বিভাগের অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার (এডিসি) (কনফিডেনশিয়াল) সাইদ নাসিরুল্লাহ। গত শনিবার রাজধানীর মগবাজার এলাকায় অভিযান চালিয়ে ওই তরুণকে গ্রেপ্তার করা হয়। এরপর দুই দিন রিমান্ড শেষে আজ তাকে আদালতে পাঠানো হয়েছে। গ্রেপ্তারের সময়ে তার কাছ থেকে নয়টি মোবাইল ও তিনটি সিম উদ্ধার করা করা হয়।
সাইদ নাসিরুল্লাহ বলেন, ফেসবুকে সরকারি পরীক্ষার সহযোগীতার নামে গ্রুপ খুলে ফেইক আইডি দিয়ে প্রশ্ন ফাঁসের নামে প্রতারণা করে আসছিল এক তরুণ। তাঁর ফাঁদে পা দিয়ে অনেক চাকরি প্রত্যাশী প্রতারণার শিকার হয়েছে। যেকোনো সরকারি পরীক্ষার আগে ১০০ ভাগ সহযোগিতা করা হবে বলে পোস্ট দিয়ে ইনবক্সে যোগাযোগ করতে বলতেন। এরপর প্রশ্ন সরবরাহ করার প্রলোভন দিয়ে প্রতারণার মাধ্যমে মোবাইল ব্যাংকিং এর মাধ্যমে মোটা অঙ্কের অর্থ হাতিয়ে নিত রিয়াদ।
তিনি আরও বলেন, তথ্য প্রযুক্তির সহায়তায় রিয়াদকে শনাক্ত করা হয়। এরপর রমনা থানার মগবাজার এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তারের পর তাঁর বিরুদ্ধে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে।
এডিসি নাসিরুল্লাহ বলেন, রিমান্ডে আমরা রিয়াদের কাছ থেকে প্রশ্ন ফাঁস চক্রের বেশ কিছু তথ্য পেয়েছি। সেগুলো যাচাই বাছাই চলছে।