দীর্ঘ বিরতির পর ২০২৬ বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগে (বিপিএল) নিলাম অনুষ্ঠিত হয়। সে নিলামে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে ছিলেন নাঈম শেখ। এই ব্যাটারকে কিনে তাঁক লাগিয়ে দিয়েছিল চট্টগ্রাম রয়্যালস। নোয়াখালী এক্সপ্রেস ও সিলেট টাইটানসের সঙ্গে প্রতিদ্বন্দ্বিতার পর শেষ পর্যন্ত ১ কোটি ১০ লাখ টাকায় নাঈমকে পেয়েছে দলটি।
এবারের বিপিএলের নিলামে এত দামে বিক্রি হননি আর কোনো ক্রিকেটার। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ৯২ লাখ টাকায় বিক্রি হয়েছেন তাওহীদ হৃদয়। এই ব্যাটারের ঠিকানা রংপুর রাইডার্স। কোটি টাকায় কেনা নাঈমের প্রতি স্বাভাবিকভাবেই চট্টগ্রামের প্রত্যাশাটা আকাশচুম্বী। বিপিএলের সিলেট পর্ব শেষে সে প্রত্যাশার কতটুকুই পূরণ করতে পেরেছেন এই ওপেনার সেটা নিয়ে বিস্তর আলোচনা হতে পারে।
এখন পর্যন্ত মাঠে নামা ৭ ম্যাচে ১৯৭ রান করেছেন নাঈম। রান সংগ্রাহকদের তালিকার ছয়ে আছেন তিনি। স্ট্রাইকরেট ১৩৫.৮৬। রান কিংবা স্ট্রাইকরেটের চেয়েও আলোচনার বিষয় নাঈমের পারফরম্যান্স চট্টগ্রামের জন্য কতটা কাজে লেগেছে। ৭ ইনিংসের মধ্যে মাত্র তিনটিতে চাহিদা মেটাতে পেরেছেন নাঈম। বাকি ৪ ইনিংসেই ব্যর্থ তিনি।
নোয়াখালী এক্সপ্রেসের বিপক্ষে প্রথম ম্যাচে ১১ বলে সমান রান করে ফেরেন নাঈম। দ্বিতীয় ম্যাচে রংপুর রাইডার্সের বিপক্ষে ২০ বলে ৩৯ রানের ইনিংস খেলেন। সে ম্যাচ হেরেছে চট্টগ্রাম। এরপর ঢাকা ক্যাপিটালসের বিপক্ষে তাঁর অবদান ৪০ বলে ৫৪ রান। নিজেদের চতুর্থ ম্যাচে সিলেটকে হারায় চট্টগ্রাম। সে ম্যাচে ৩৭ বলে ৫২ রানের ইনিংস খেলে ম্যাচসেরার পুরস্কার জেতেন নাঈম।
বিপিএলের চলতি পর্বে এখন পর্যন্ত নাঈমের জন্য স্মরণীয় ম্যাচ ওই একটাই। পরবর্তী ৩ ম্যাচে হতাশ করেছেন তিনি; খেলেছেন ১৬,১৮ ও ৭ রানের ইনিংস। ম্যাচগুলোতে তাঁর স্ট্রাইকরেট ছিল একশ বা তার সামান্য ওপরে। নাঈম সেভাবে প্রত্যাশা মেটাতে না পারলেও চট্টগ্রাম আছে দারুণ ছন্দেই। ৫ জয়ে ১০ পয়েন্ট নিয়ে টেবিলের দুইয়ে অবস্থান করছেন শেখ মেহেদি হাসানের দল।