চট্টগ্রামে চেরাগী পাহাড়ে কিশোর গ্যাংয়ের দুই গ্রুপের দ্বন্দ্বে আসকার বিন তারেক ওরফে ইভান খুনের ঘটনায় প্রিয়ম বিশ্বাস (২৫) নামে আরও একজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। আজ বৃহস্পতিবার বিকেলে কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জাহেদুল কবির বিষয়টি আজকের পত্রিকা নিশ্চিত করেন।
এর আগে গতকাল বুধবার রাত ১০টার দিকে নগরীর সিআরবির সাত রাস্তার মাথা এলাকা থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়। প্রিয়ম চন্দনাইশ উপজেলার বৈলতলী ইউনিয়নের রানা বিশ্বাসের ছেলে।
ওসি জাহেদুল কবির বলেন, গ্রেপ্তারের পর প্রিয়মকে আদালতে পাঠিয়ে ৫ দিনের রিমান্ড চাওয়া হয়েছে। আদালত এখনো এ বিষয়ে শুনানি করেননি।
ওসি বলেন, ঘটনার পর এ পর্যন্ত পুলিশ দুজনকে গ্রেপ্তার করেছে। গ্রেপ্তারকৃত দুজনই ঘটনার সঙ্গে প্রত্যক্ষভাবে জড়িত। পলাতক বাকিরাও শিগগিরই আইনের আওতায় আসবে বলে জানান তিনি।
উল্লেখ্য, গত শুক্রবার (২২ এপ্রিল) রাতে সরকারদলীয় দুই পক্ষের আধিপত্য বিস্তারে ছুরিকাঘাতে খুন হয়েছেন ওয়ার্ড ছাত্রলীগ নেতা আসকার বিন তারেক (১৮)। সিনিয়র-জুনিয়র দ্বন্দ্ব নিয়ে কিশোর ও তরুণ বয়সের একটি গ্যাঙের সদস্যরা তাঁকে প্রকাশ্যে ছুরিকাঘাত হত্যা করেন বলে অভিযোগ রয়েছে। নিহত তারেক নগরীর বিএএফ শাহীন কলেজের শিক্ষার্থী ছিলেন। এ ঘটনায় নিহতের বাবা ৭ জনকে আসামি করে ও অজ্ঞাতনামা ১২ জনকে আসামি করে কোতোয়ালি থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। ঘটনার দিনই হাসপাতালে চিকিৎসারত অবস্থায় শোভন নামে একজনকে গ্রেপ্তার দেখায় পুলিশ।
জামালখান ওয়ার্ড কাউন্সিলর শৈবাল দাশ সুমনের অনুসারী সৈকত গ্রুপ ও নগর ছাত্রলীগের সহসম্পাদক সাব্বির সাদিকের অনুসারীদের মধ্যে আধিপত্য নিয়ে দুই গ্যাংয়ের মধ্যে উত্তেজনা চলে আসছিল। নিহত তারেক সাব্বির সাদিকের অনুসারী হিসেবে পরিচিত। তবে এরা সবাই নগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীন সমর্থিত হিসেবে পরিচিত রয়েছে।