চোরে না শুনে ধর্মের কাহিনি। শিবিরে রোহিঙ্গাদের নিয়ে অপরাধ প্রবণতা রোধে সভা করার চার ঘণ্টার মধ্যে দুর্বৃত্তদের হাতে অপহরণের শিকার হন নজিমদ্দিন (২০) নামের রোহিঙ্গা যুবক। ১২ ঘণ্টার পরে অভিযান চালিয়ে তাঁকে উদ্ধার করে এপিবিএন। এ ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে ৩ রোহিঙ্গাকে আটক করা হয়। এ ঘটনায় ওই প্রবাদটি প্রমাণিত হয়।
৩০ আগস্ট ভোররাত ৩টার দিকে টেকনাফ হ্নীলা ইউনিয়নের ২৬ নম্বর শালবাগান শিবিরে অভিযান চালিয়ে পাহাড়ি ছড়ারপার থেকে ওই রোহিঙ্গা যুবককে উদ্ধার করে আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন (এপিবিএন) সদস্যরা। উদ্ধার হওয়া যুবক ২৬ নম্বর শিবিরের আবুল কালামের ছেলে। অপরাধ প্রবণতা প্রতিরোধসভা করার ১২ ঘন্টর মধ্যে অপহরণ, ইয়াবা পাচার ও চুরির ঘটনা ঘটে।
১৬ এপিবিএন অধিনায়ক এসপি তারিকুল ইসলাম জানান, গত রোববার দুপুরে ওই শিবিরের বি ব্লকে একটি বেসরকারি সংস্থার কার্যালয়ে বিট পুলিশিংয়ের কার্যক্রমের অংশ বিশেষ আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখাসহ মাদক, অস্ত্র, অপহরণ ও অন্যান্য অপরাধ প্রবণতা রোধকল্পে সভা করা হয়।
আটককৃতদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন শিবিরে মাদক ব্যবসাসহ ক্যাম্প এলাকার আইন শৃঙ্খলা পরিপন্থী অনেক অপকর্মের সঙ্গে জড়িত থাকার প্রমাণ রয়েছে। বিভিন্ন অভিযোগে তাঁদের বিরুদ্ধে টেকনাফ ও উখিয়া থানায় একাধিক মামলা রয়েছে।
এ ছাড়া একই সময়ে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ২৪ নম্বর রোহিঙ্গা শিবিরের বসত ঘর তল্লাশি চালিয়ে ৩০০ ইয়াবাসহ দিল মোহাম্মদের ছেলে জমিল প্রকাশ সফি আলমকে (৪৩) আটক করা হয়।