হোম > বিশ্ব > এশিয়া

জাপানের আইনসভা ভেঙে আগাম নির্বাচনের ঘোষণা দিলেন প্রধানমন্ত্রী তাকাইচি

আজকের পত্রিকা ডেস্ক­

জাপানের প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচি। এপির সৌজন্যে

ব্যয় বৃদ্ধি, করছাড় ও নতুন নিরাপত্তা কৌশলের পক্ষে জনসমর্থন আদায়ে আগামী ৮ ফেব্রুয়ারি আগাম জাতীয় নির্বাচনের ঘোষণা দিয়েছেন জাপানের প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচি। এ লক্ষ্যে আগামী শুক্রবার সংসদ ভেঙে দেওয়ার পরিকল্পনা করেছেন তিনি। নির্বাচনে সংসদের নিম্নকক্ষের ৪৬৫টি আসনে ভোট হবে। গত বছরের অক্টোবরে দায়িত্ব নেওয়ার পর এটিই হবে জাপানের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী তাকাইচির প্রথম বড় নির্বাচনী পরীক্ষা।

আজ সোমবার এক সংবাদ সম্মেলনে তাকাইচি বলেন, ‘এই নির্বাচনের মাধ্যমে আমি প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নিজের রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ বাজি রাখছি। জনগণ সরাসরি বিচার করুক—তারা আমাকে দেশ পরিচালনার দায়িত্ব দিতে চায় কি না।’

নির্বাচনী প্রতিশ্রুতির অংশ হিসেবে তাকাইচি খাদ্যপণ্যে ৮ শতাংশ ভোগকর দুই বছরের জন্য স্থগিত রাখার ঘোষণা দেন। তাঁর দাবি, এতে কর্মসংস্থান বাড়বে, পরিবারের ব্যয়ক্ষমতা বাড়বে এবং পরোক্ষভাবে অন্যান্য খাত থেকে রাজস্ব আদায় বাড়বে।

তবে সরকারের হিসাব অনুযায়ী, এ সিদ্ধান্তে বছরে প্রায় ৫ ট্রিলিয়ন ইয়েন (প্রায় ৩২ বিলিয়ন ডলার) রাজস্ব ঘাটতি হতে পারে। এ ঘোষণার প্রভাব পড়েছে আর্থিক বাজারেও। আজ জাপানের ১০ বছর মেয়াদি সরকারি বন্ডের সুদের হার গত ২৭ বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছায়।

বার্তা সংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, জনসমর্থন পেয়ে তাকাইচি প্রধানমন্ত্রী হয়েছিলেন। এখন সেই সমর্থন কাজে লাগিয়ে ক্ষমতাসীন লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টির (এলডিপি) ভেতরেও নিজের অবস্থান শক্ত করতে চান তিনি। এ ছাড়া নতুন নির্বাচনের মাধ্যমে সরকারে সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিশ্চিত করাও তাঁর উদ্দেশ্য।

তাকাইচির সরকার চলতি বছর একটি নতুন জাতীয় নিরাপত্তা কৌশল প্রণয়ন করতে যাচ্ছে। এর আওতায় জাপানের প্রতিরক্ষা ব্যয় জিডিপির ২ শতাংশে উন্নীত করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, যা দেশটির কয়েক দশক ধরে থাকা ব্যয়ের দ্বিগুণ।

জাপানের প্রধানমন্ত্রী বলেন, চীন তাইওয়ানের আশপাশে সামরিক মহড়া চালাচ্ছে এবং গুরুত্বপূর্ণ সরবরাহ শৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণের মাধ্যমে অর্থনৈতিক চাপ সৃষ্টি করছে। আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা পরিস্থিতি দিন দিন কঠিন হয়ে উঠছে। এই অবস্থায় দেশের প্রতিরক্ষা ব্যয় বাড়ানো জরুরি।

আগামী নির্বাচনে তাকাইচির এলডিপি ও ইশিন পার্টির জোটে ২৩৩টি আসন রয়েছে। তাকাইচি জানিয়েছেন, তাঁর লক্ষ্য জোটের সংখ্যাগরিষ্ঠতা ধরে রাখা।

অন্যদিকে, প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে মাঠে নামছে সেন্ট্রিস্ট রিফর্ম অ্যালায়েন্স। তারা প্রধান বিরোধী দল কনস্টিটিউশনাল ডেমোক্রেটিক পার্টি ও কোমেইতোকে একত্র করেছে। তাকাইচি এলডিপির নেতৃত্ব নেওয়ার পর কোমেইতো ২৬ বছরের জোট ভেঙে বেরিয়ে আসে। নতুন জোটটির হাতে রয়েছে ১৭২টি আসন।

কান্দা ইউনিভার্সিটি অব ইন্টারন্যাশনাল স্টাডিজের জাপানবিষয়ক গবেষক জেফ্রি হল বলেন, এই বিপুল জনপ্রিয়তার সুযোগ কাজে লাগানোর জন্য এখনই হয়তো তাকাইচির সবচেয়ে ভালো সময়। তবে বিরোধীরা একজোট হওয়ায় জয় নিশ্চিত বলা কঠিন।

শিগগির চালু হচ্ছে বিশ্বের বৃহত্তম পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র, সক্ষমতা ৮.২ গিগাওয়াট

ইয়ং ফর্টিজ: মিলেনিয়ালদের বিদ্রূপ করতে জেন-জির নতুন ভাষা

ইন্দোনেশিয়ায় ১১ আরোহী নিয়ে নিখোঁজ বিমানের ধ্বংসাবশেষ উদ্ধার

ইন্দোনেশিয়ায় ১১ আরোহীসহ ফ্লাইট নিখোঁজ

সামরিক আইন জারি করায় ৫ বছরের কারাদণ্ড পেলেন দক্ষিণ কোরিয়ার সাবেক প্রেসিডেন্ট

তালেবানের শীর্ষ নেতৃত্বে ক্ষমতার সংঘাত—বেরিয়ে এল বিবিসির অনুসন্ধানে

আমাদের দেশে তেল নেই, আছে বাঘ আর কুমির—ট্রাম্পকে নিয়ে মজা করছেন মালয়েশীয়রা

দক্ষিণ কোরিয়ার সাবেক প্রেসিডেন্ট ইউনের মৃত্যুদণ্ড চাইলেন কৌঁসুলিরা

থাইল্যান্ডে যাত্রীবাহী ট্রেনের ওপর ক্রেন ছিঁড়ে পড়ে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৩২

থাইল্যান্ডে চলন্ত ট্রেনের ওপর ভেঙে পড়ল ক্রেন, নিহত অন্তত ২৫