তুলা, সুতার বদলে বর্জ্য মাস্ক দিয়ে গদি তৈরির অভিযোগে মহারাষ্ট্রের জলগাঁও জেলার একটি কারখানায় অভিযান চালিয়েছে পুলিশ। এ ঘটনায় প্রতিষ্ঠানটির মালিকের বিরুদ্ধে মামলা করে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। নির্ধারিত নিয়মাবলী অনুসারে পুলিশ প্রতিষ্ঠানের প্রাঙ্গণে পাওয়া মাস্কের গাদায় আগুন জ্বালিয়ে দেয়।
পুলিশের বরাত দিয়ে এনডিটিভির এক প্রতিবেদনে বলা হয়, ফেলে দেওয়া ব্যবহৃত মাস্ক মহারাষ্ট্র শিল্প উন্নয়ন কর্পোরেশন (এমআইডিসির) একটি গদি তৈরির কারখানায় নেওয়া হয়। কারখানাটির অবস্থান রাজধানী মুম্বাইয়ের উত্তর-পূর্বে প্রায় ৪০০ কিলোমিটার দূরে জলগাঁও জেলার কুসুম্বা গ্রামে।
অতিরিক্ত পুলিশ সুপার চন্দ্রকান্ত গাওয়ালি এনডিটিভিকে বলেন, ‘পরিদর্শনে গিয়ে পুলিশ কর্মকর্তারা কারখানার প্রাঙ্গণেও একটি ব্যবহৃত মুখোশ ভর্তি গদি পেয়েছে। পুলিশ বাদি হয়ে ইতিমধ্যেই একটি মামলা করেছে। এ অপরাধে আরও কেউ জড়িত থাকলে তা খতিয়ে দেখা হবে।
করোনাভাইরাস সংক্রমণ থেকে সুরক্ষার জন্য ভারতে প্রতিদিন দেড় কোটি ইউনিট মাস্ক তৈরি হচ্ছে। এতে বর্জ্যের ভাগাড়েও মাস্কের পরিমাণ বেড়ে গেছে। করোনার সংক্রমণ বাড়তে থাকায় অন্য বায়ো-মেডিকেল বর্জ্যও বাড়ছে। কেন্দ্রীয় দূষণ নিয়ন্ত্রণ বোর্ড বলছে, ভারতে শুধু ২০২০ সালের জুন থেকে সেপ্টেম্বরেই গ্লাভস, মাস্কসহ ১৮ হাজার টন মেডিকেল বর্জ্যের তৈরি হয়েছে।
উল্লেখ্য, করোনা মহামারির দ্বিতীয় ঢেউয়ে ভারতে ভয়াবহ রূপ ধারণ করেছেন। সর্বশেষ ১১ এপ্রিল ভারতে ২৪ ঘণ্টায় ১ লাখ ৬৯ হাজার ৯১৪ জন করোনা রোগী শনাক্ত হয়েছে। মারা গেছে ১৬৮ জন। এতে মোট রোগী শনাক্ত হলো ১ কোটি ৩৫ লাখ ৬৪ হাজার ২৯৪ জন। মৃত্যু ১ লাখ ৭০ হাজার ৩৭৭।