সিটি গ্রুপ যে সংকটে এসে দাঁড়িয়েছে, তার থেকে পুনরুদ্ধারে একসঙ্গে ঋণ পুনর্গঠন, নতুন অর্থায়ন ও গ্যাস-সংযোগ তিনটি জায়গায় সমাধান দরকার।
প্রায় ২৫ হাজার কোটি টাকার ঋণ পুনর্গঠন জরুরি। তাহলে ব্যাংকগুলোর সঙ্গে বকেয়া ঋণের কিস্তি ও পরিশোধের সময় নতুন করে সাজানো যাবে। এতে তাৎক্ষণিকভাবে ঋণের চাপ কমবে এবং ব্যবসা সচল করার সময় পাওয়া যাবে। তবে শুধু পুরোনো ঋণের সময় বাড়ালে সংকটের স্থায়ী সমাধান হবে না। নতুন অর্থায়নের মাধ্যমে এলসি খোলা, কাঁচামাল আমদানি ও চলতি ব্যবসার জন্য প্রয়োজনীয় অর্থের জোগান নিশ্চিত করতে হবে।
আরেকটি বড় সমাধান হলো, আটকে থাকা ছয় প্রকল্পে গ্যাস-সংযোগ। প্রায় ১৪ হাজার কোটি টাকা বিনিয়োগের এসব প্রকল্প চালু হলে উৎপাদন শুরু হবে এবং এর ফলে সেখান থেকে নতুন নগদ প্রবাহ তৈরি হবে। অর্থাৎ ব্যাংকগুলোর যৌথ পর্যালোচনার ফল, নতুন অর্থায়নের কাঠামো ও গ্যাসের সংযোগ—এসব বিষয় এখন গ্রুপটির ভবিষ্যৎ ব্যবসায়িক সক্ষমতা পুনরুদ্ধারে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।
প্রায় ২৫ হাজার কোটি টাকার ঋণ পুনর্গঠন জরুরি। তাহলে ব্যাংকগুলোর সঙ্গে বকেয়া ঋণের কিস্তি ও পরিশোধের সময় নতুন করে সাজানো যাবে। এতে তাৎক্ষণিকভাবে ঋণের চাপ কমবে এবং ব্যবসা সচল করার সময় পাওয়া যাবে। তবে শুধু পুরোনো ঋণের সময় বাড়ালে সংকটের স্থায়ী সমাধান হবে না। নতুন অর্থায়নের মাধ্যমে এলসি খোলা, কাঁচামাল আমদানি ও চলতি ব্যবসার জন্য প্রয়োজনীয় অর্থের জোগান নিশ্চিত করতে হবে।/