পর্যটন খাতকে শুধু প্রচারনির্ভর না রেখে পুরো ব্যবস্থাকে প্রযুক্তিনির্ভর ও স্মার্ট করার আহ্বান জানিয়েছেন পর্যটনসংশ্লিষ্টরা। তাঁদের মতে, পর্যটকের ভ্রমণ অভিজ্ঞতা সহজ ও নিরাপদ করতে বিমানবন্দর থেকে পরিবহন, হোটেল, ভিসা, বুকিং, পেমেন্ট, ট্যুর গাইড ও পর্যটন তথ্য—সব সেবাকে একটি সমন্বিত ডিজিটাল কাঠামোর আওতায় আনতে হবে।
পাশাপাশি পর্যটকের আচরণ বিশ্লেষণ, ব্যক্তিকেন্দ্রিক ভ্রমণ পরিকল্পনা ও গন্তব্য ব্যবস্থাপনায় কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ব্যবহারের সুযোগ কাজে লাগাতে হবে।
‘ডিজিটাল রূপান্তর ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তায় আগামীর পর্যটন’ প্রতিপাদ্য সামনে রেখে আজ রোববার দেশে পালিত হয়েছে বিশ্ব পর্যটন দিবস ২০২৬। দিবসটি উপলক্ষে রাজধানী ঢাকাসহ বিভিন্ন জেলা ও পর্যটনকেন্দ্রে র্যালি, সাইকেল শোভাযাত্রা, আলোচনা সভা, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানসহ বিভিন্ন কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়।
রাজধানীতে বাংলাদেশ আউটবাউন্ড ট্যুর অপারেটরস অ্যাসোসিয়েশন (বোটোয়া) আয়োজিত র্যালিতে পর্যটনসংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ী, বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ও সংগঠনের প্রতিনিধি, স্থানীয় জনগোষ্ঠী, গণমাধ্যমকর্মী ও স্বেচ্ছাসেবকেরা অংশ নেন। সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের জন্য আয়োজন করা হয় গাইডেড সিটি ট্যুর।
বোটোয়ার মহাসচিব মো. শরীফুল ইসলাম শরীফ বলেন, ভবিষ্যতের পর্যটনে শুধু আকর্ষণীয় গন্তব্য থাকলেই হবে না; পর্যটকের পুরো ভ্রমণ অভিজ্ঞতাকে ডিজিটাল, সহজ, দ্রুত, নিরাপদ ও ব্যক্তিকেন্দ্রিক করতে হবে। বাংলাদেশের পর্যটনকে ‘ট্যুরিজম প্রমোশন’ থেকে ‘ট্যুরিজম ট্রান্সফরমেশন’-এর দিকে নিতে হবে।
বিমানবন্দর, পরিবহন, হোটেল, ট্যুর অপারেটর, ট্যুর গাইড, ভিসা, পেমেন্ট, পর্যটন তথ্য ও গন্তব্য ব্যবস্থাপনাকে বিচ্ছিন্নভাবে না দেখে একটি সমন্বিত পর্যটন ইকোসিস্টেম হিসেবে গড়ে তুলতে হবে।