বাংলাদেশে কার্যক্রম পরিচালনাকারী বিদেশি এয়ারলাইনসের টিকিট আন্তর্জাতিক কার্ডের মাধ্যমে কেনার সুযোগ বাড়িয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। আজ সোমবার এ বিষয়ে একটি সার্কুলার জারি করে বাংলাদেশ ব্যাংক, যেখানে ২০২৫ সালের ১৯ নভেম্বরের আগের নির্দেশনা সংশোধন করা হয়েছে।
সংশোধিত নির্দেশনা অনুযায়ী, প্রযোজ্য ক্ষেত্রে বৈধ ভিসাধারী বাংলাদেশি নাগরিকেরা বিদেশ ভ্রমণের জন্য আন্তর্জাতিক কার্ড ব্যবহার করে টিকিট কিনতে পারবেন। এর আগে, টিকিট বিক্রির অর্থ বাংলাদেশে অনুমোদিত ডিলার (এডি) ব্যাংকের মাধ্যমে নিষ্পত্তির ব্যবস্থা থাকলেই এ সুবিধা প্রযোজ্য ছিল। নতুন নির্দেশনায় বিদেশি এয়ারলাইনস তাদের প্রতিষ্ঠিত আন্তর্জাতিক অ্যাকোয়ারিং ও পেমেন্ট সেটেলমেন্ট ব্যবস্থার মাধ্যমে দেশের বাইরে টিকিট বিক্রির অর্থ নিষ্পত্তি করলেও এই সুবিধা প্রযোজ্য হবে।
বাংলাদেশে পরিচালিত ১৭টি বিদেশি এয়ারলাইনসের টিকিট কেনার ক্ষেত্রে এ সুবিধা পাওয়া যাবে। সংশ্লিষ্ট এয়ারলাইনসের মার্চেন্ট ক্যাটাগরি কোড (এমসিসি) ব্যবহার করে এডি ব্যাংকগুলো যোগ্য টিকিট কেনার লেনদেন শনাক্ত করবে।
খাতসংশ্লিষ্টরা বলছেন, এই সুবিধার আওতায় কেনা টিকিটের মূল্য প্রযোজ্য ভ্রমণসীমার বাইরে থাকবে। যোগ্য টিকিট কেনার লেনদেন যাচাইয়ের পর গ্রাহকের আন্তর্জাতিক কার্ডে টিকিট কেনায় ব্যয় করা অর্থ পুনরায় জমা বা রিফিল করতে পারবে ব্যাংক, যা গ্রাহকের সঙ্গে বিদ্যমান ব্যাংকার-গ্রাহক সম্পর্কের আওতাধীন ব্যবস্থার ওপর নির্ভর করবে। এতে গ্রাহকের সুবিধা বাড়বে। এ ধরনের লেনদেন নির্ধারিত রিপোর্টিং ব্যবস্থার মাধ্যমে বাংলাদেশ ব্যাংকে জানাতেও এডি ব্যাংকগুলোকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
ব্যবসাসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা বাংলাদেশ ব্যাংকের এই সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছেন। তাঁদের মতে, এর ফলে বিদেশি এয়ারলাইনসগুলোকে টিকিট বিক্রির অর্থ নিষ্পত্তির জন্য বাংলাদেশে স্থানীয় অ্যাকোয়ারিং ব্যাংকের সঙ্গে আলাদা ব্যবস্থা করার প্রয়োজন কমবে এবং অনলাইনে টিকিট বিক্রি সহজ হবে।