সুনামগঞ্জে ফার্মেসির ভেতরে হত্যার পর শাহনাজ পারভীন জোৎস্না নামে এক নারীকে ৬ টুকরো করার মামলায় আসামি জিতেশ চন্দ্র গোপকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। পাশাপাশি ১ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে ও অনাদায়ে আরও এক বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
আজ মঙ্গলবার দুপুরে সুনামগঞ্জের জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক মুহাম্মদ হাবিবুল্লাহ এ রায় দেন।
রায়ের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন রাষ্ট্রপক্ষের পাবলিক প্রসিকিউটর অ্যাডভোকেট মল্লিক মঈন উদ্দিন সোহেল। তিনি জানান, এ ছাড়া আসামিকে ২০১ ধারায় ৭ বছরের কারাদণ্ড এবং ৫০ হাজার টাকা জরিমানা ও অনাদায়ে ৬ মাসের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। এ মামলায় প্রায় ২০ জন সাক্ষী দিয়েছেন। আমরা রায়ে সন্তুষ্ট। আশা করি আদালত দ্রুতই এই রায় কার্যকর করবেন।
২০২২ সালের ১৬ ফেব্রুয়ারি সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুরে নিখোঁজ হন প্রবাসীর স্ত্রী শাহনাজ পারভীন জোৎস্না। এর পরদিন ১৭ ফেব্রুয়ারি স্থানীয় একটি ফার্মেসির ভেতর থেকে তাঁর মরদেহের ৬ টুকরো উদ্ধার করে পুলিশ।
মামলার এজাহার অনুযায়ী, জগন্নাথপুরের একটি ফার্মেসিতে যাওয়ার পর নিখোঁজ হন শাহনাজ। পরে স্বজনেরা খোঁজাখুঁজি করে ওই ফার্মেসিতে গিয়ে তাঁর মরদেহের ৬টি টুকরো দেখতে পান। এ ঘটনায় নিহতের ভাই হেলাল আহমদ বাদী হয়ে জিতেশ চন্দ্র গোপসহ অজ্ঞাতনামা আসামিদের বিরুদ্ধে মামলা করেন। মামলার দীর্ঘ তদন্তে অভিযুক্ত যুবকের বিরুদ্ধে চার্জশিট দাখিল করে পুলিশ। মামলার তদন্ত ও বিচারিক কার্যক্রম শেষে সোমবার আদালত একমাত্র আসামি জিতেশ চন্দ্র গোপকে মৃত্যুদণ্ডের আদেশ দেন।