হোম > অপরাধ > রংপুর

বিরলের সেই দুই শিশুকে হত্যার কথা ‘স্বীকার’ করেছেন বাবা

বিরল (দিনাজপুর) প্রতিনিধি

দিনাজপুরের বিরল থেকে বস্তাবন্দী অবস্থায় দুই শিশুর মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় শিশুদের বাবা শরিফুলকে আটক করেছে পুলিশ। পুলিশের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে বাবা শরিফুল শিশুদের হত্যার কথা স্বীকার করেছেন। বিরল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রেজাউল হাসান রেজা এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

শুক্রবার সকালে স্থানীয় এক বিদ্যালয়ের পরিত্যক্ত ভবন থেকে বস্তাবন্দী অবস্থায় শিশুদের মরদেহ উদ্ধারের পর থেকেই নিখোঁজ ছিলেন শরিফুল।

পুলিশ কর্মকর্তা রেজাউল হাসান রেজা আজকের পত্রিকা বলেন, ‘অত্যাধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করে শুক্রবার (২৫ নভেম্বর) সন্ধ্যায় বিরল উপজেলার ধামইড় ইউনিয়নের গোবিন্দপুর এলাকা থেকে শরিফুলকে আটক করা হয়ে। প্রাথমিকভাবে তিনি দুই শিশুকে হত্যার কথা স্বীকার করেছেন। তাঁকে আরও জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।’

জানা গেছে, মৃত শিশু দুটির বাবা-মায়ের মধ্যে পারিবারিক ঝামেলার কারণে প্রায় তিন মাস আগে বিবাহবিচ্ছেদ হয়েছে।

এর আগে গত বৃহস্পতিবার (২৪ নভেম্বর) সন্ধ্যায় বাবা শরিফুল ইসলাম তাঁর দুই সন্তানকে কাপড় কিনে দেওয়ার জন্য বাসা থেকে নিয়ে যান। পরে বাসায় ফিরে না এলে অনেক খোঁজাখুঁজির পরেও তাদের পাওয়া যায়নি। পরে গতকাল শুক্রবার সকালে শরিফুল নিজেই শিশুদের দাদা রফিকুল ইসলামকে ফোন করে ওই বিদ্যালয়ে শিশুরা আছে বলে খবর দেন। পরে সেখানে গিয়ে বিদ্যালয়ের পরিত্যক্ত ভবনে বস্তাবন্দী মরদেহ দেখে পুলিশে খবর দেয় পরিবার। খবর পেয়ে পুলিশ বস্তাবন্দী শিশুর মরদেহ উদ্ধার করে মর্গে পাঠায়।

অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আসলাম উদ্দিন ঘটনাস্থল পরিদর্শন শেষে গতকাল শুক্রবার সাংবাদিকদের জানিয়েছিলেন, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে পারিবারিক কলহের জেরে এই হত্যাকাণ্ড হয়েছে।

ইফতার না পেয়ে বেরোবির শিক্ষার্থীদের ক্ষোভ, উপাচার্যের দুঃখপ্রকাশ

গুলি করে হত্যার হুমকি দেওয়া যুবদল-তাঁতী দল নেতার জামিন

‘আ.লীগের দালালি করছিস, বেডরুমে গিয়ে বউ-বাচ্চাসহ গুলি করব’

চিরিরবন্দরে বাসের ধাক্কায় মোটরসাইকেলচালক নিহত

তারাগঞ্জে নিখোঁজের তিন দিন পর মাটিচাপা দেওয়া লাশ উদ্ধার

অচেতন করে দুই পরিবারে স্বর্ণালংকার-নগদ টাকা চুরি

চিকিৎসার অভাব: শিকলবন্দী জীবন

বিএনপি একদিকে ফ্যামিলি কার্ড দেবে, অন্যদিকে লুটপাট করবে: আখতার

‘যদি কিছু ঘটে, তার দায় বিএনপি হাইকমান্ডকে নিতে হবে’

বেরোবিতে ১৮ বছরেও নির্মিত হয়নি স্থায়ী শহীদ মিনার