হোম > সারা দেশ > পটুয়াখালী

দশমিনায় নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে মা ইলিশ শিকার, ৬ জেলের কারাদণ্ড

দশমিনা (পটুয়াখালী) প্রতিনিধি 

দণ্ডপ্রাপ্ত ছয় জেলে। ছবি: আজকের পত্রিকা

পটুয়াখালীর দশমিনায় নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে মা ইলিশ ধরায় ছয় জেলেকে এক মাস করে বিনাশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। এ ছাড়া প্রত্যেককে ৫০ টাকা করে অর্থদণ্ড দেওয়া হয়েছে। অভিযানে দুটি ইঞ্জিনচালিত ট্রলারও জব্দ করা হয়।

গতকাল বুধবার সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত উপজেলার তেঁতুলিয়া নদীতে যৌথ অভিযান চালিয়ে তাঁদের আটক করা হয়। উপজেলা প্রশাসন, নৌপুলিশ ফাঁড়ি ও মৎস্য দপ্তর এ অভিযান পরিচালনা করে।

দণ্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তিরা হলেন ভোলার লালমোহন উপজেলার চরকচপিয়া গ্রামের আনিচুল হকের ছেলে মো. মহসিন, মানিক হাওলাদারের ছেলে মো. রুবেল, নাসির পল্লানের ছেলে মো. শাকিল পল্লান, হাফেজ হাওলাদারের ছেলে শাহাবুদ্দিন এবং পটুয়াখালীর দশমিনা উপজেলার বড়গোপালদী ইউনিয়নের চরঘূর্ণী গ্রামের সলেমান মোল্লার ছেলে মো. মাসুম মোল্লা ও জলিল হাওলাদারের ছেলে আলাউদ্দিন।

উপজেলা প্রশাসন ও মৎস্য দপ্তর সূত্রে জানা যায়, মা ইলিশ সংরক্ষণে ২২ দিনের নিষেধাজ্ঞা চলাকালে তেঁতুলিয়া নদীতে অভিযান চালানো হয়। এ সময় অবৈধভাবে মাছ ধরায় ছয় জেলেকে আটক করা হয়। পরে সন্ধ্যায় তাঁদের ভ্রাম্যমাণ আদালতে হাজির করা হলে আদালতের বিচারক ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মাহমুদ হাসান মৃধা প্রত্যেককে এক মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও ৫০ টাকা অর্থদণ্ড দেন। পরে তাঁদের কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়।

নৌপুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ ফেরদাউস ও উপসহকারী মৎস্য কর্মকর্তা আমিনুল ইসলাম বলেন, মা ইলিশ সংরক্ষণে নিষেধাজ্ঞা চলাকালে তেঁতুলিয়া নদীতে অভিযান চালিয়ে ছয় জেলেকে আটক করা হয়েছে। ভ্রাম্যমাণ আদালত তাঁদের প্রত্যেককে এক মাসের কারাদণ্ড ও ৫০ টাকা অর্থদণ্ড দিয়েছেন। নিষেধাজ্ঞার সময় এ অভিযান অব্যাহত থাকবে।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মাহমুদ হাসান মৃধা বলেন, মা ইলিশের প্রজনন মৌসুমে তেঁতুলিয়া নদীতে মাছ ধরা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। উপজেলা প্রশাসন, মৎস্য দপ্তর ও নৌপুলিশের যৌথ অভিযানে ছয় জেলেকে আটক করা হয়। মৎস্য সংরক্ষণ আইনে তাঁদের প্রত্যেককে এক মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও ৫০ টাকা অর্থদণ্ড দিয়ে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেওয়া হয়েছে।