কুড়িগ্রামের উলিপুরে জমির বিরোধে মোকছেদ আলী বাচ্চুকে (৬৭) চাপাতি দিয়ে গলা কেটে হত্যা করেন তাঁর নাতি রায়হান কবীর রাব্বি (২০)। পরে ঘটনা আড়াল করতে মরদেহের দুই পা বিচ্ছিন্ন করে একটি ট্রাভেল ব্যাগে রাখা হয়।
আজ বুধবার উলিপুর থানায় এক সংবাদ সম্মেলনে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (উলিপুর সার্কেল) মো. মাসুদ রানা এসব তথ্য জানান।
ব্রিফিংয়ে মো. মাসুদ রানা জানান, এ ঘটনায় অন্য কেউ জড়িত রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ। জড়িতদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। গ্রেপ্তার রায়হান কবীর রাব্বিকে বুধবার আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
এর আগে গত সোমবার বড় ভাই একাব্বর আলীর (৭৫) বাড়িতে বেড়াতে আসেন মোকছেদ আলী বাচ্চু। একই দিন একাব্বর আলীর ছেলে মিঠু মিয়ার ছেলে রাব্বি মিয়া ঢাকা থেকে আসেন। রাতে পরিবারের সবাই একসঙ্গে খাওয়াদাওয়া শেষে দাদা মোকছেদ আলীর সঙ্গে রাব্বি মিয়া একই কক্ষে ঘুমিয়ে পড়েন। পরে কোনো এক সময় মোকছেদ আলী বাচ্চুকে গলা কেটে হত্যা করা হয়।
এ ঘটনায় নিহতের ছেলে আব্দুল মোতালেব মিয়া বাদী হয়ে থানায় একটি মামলা করেন। গতকাল মঙ্গলবার বিকেলে পুলিশ অভিযান চালিয়ে তবকপুর ইউনিয়নের রেলগেট এলাকা থেকে রাব্বিকে গ্রেপ্তার করে। এ সময় তাঁর দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত চাপাতিটি উদ্ধার করে পুলিশ।