হোম > সারা দেশ > কুড়িগ্রাম

নাচের কথা বলে এনে ‘নৃত্যশিল্পীকে’ দলবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ, গ্রেপ্তার ১

ভূরুঙ্গামারী (কুড়িগ্রাম) প্রতিনিধি

প্রতীকী ছবি

কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারীতে দলবদ্ধ ধর্ষণ, মোবাইল ফোন ও নগদ টাকা ছিনতাইয়ের অভিযোগে মোখলেছুর রহমান মিঠু (৪০) নামের এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গতকাল বৃহস্পতিবার রাতে উপজেলার ভূরুঙ্গামারী ইউনিয়নের নলেয়া রশিদ মোড় এলাকা থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়।

গ্রেপ্তার মোখলেছুর ওই এলাকার মৃত আব্দুল গফুরের ছেলে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী যুবতী বাদী হয়ে ভূরুঙ্গামারী থানায় পাঁচজনের নাম উল্লেখ করে মামলা করেছেন।

মামলায় অভিযুক্ত অন্য আসামিরা হলেন ফুল মিয়া ওরফে ফুলবর, আল আমিন, নাইনুল ইসলাম ও লিটন মিয়া।

মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, গত ২৫ সেপ্টেম্বর নাচ-গানের কথা বলে মুন্সিগঞ্জের টঙ্গিবাড়ী এলাকা থেকে তিন যুবতীকে ভাড়ায় ভূরুঙ্গামারীর চরভূরুঙ্গামারী ইউনিয়নের ইসলামপুরের সামাদের ঘাট এলাকায় নিয়ে আসা হয়। পরে সেখান থেকে দুজন চলে গেলেও অপর যুবতী থেকে যান।

ভুক্তভোগী অভিযোগ করেন, সামাদের ঘাট এলাকার নির্জন কাশবনে অভিযুক্ত ব্যক্তিরা তাঁকে আটকে রেখে পালাক্রমে ধর্ষণ করেন। এ সময় তাঁর কাছে থাকা একটি অ্যান্ড্রয়েড মোবাইল ফোন ও নগদ ৫ হাজার ৬০০ টাকা কেড়ে নেওয়া হয়।

পরে ভুক্তভোগী যুবতীর কাছে বাড়ি ফেরার টাকা না থাকায় তিনি অভিযুক্ত ব্যক্তিদের খোঁজে ভূরুঙ্গামারী ইউনিয়নের নলেয়া রশিদ মোড় এলাকায় যান। সেখানে অভিযুক্ত ব্যক্তিদের একজনকে দেখতে পেয়ে মোবাইল ও টাকা ফেরত চাইলে তিনি তা ফেরত দিতে অস্বীকৃতি জানান এবং ভয়ভীতি প্রদর্শন করেন।

এ সময় স্থানীয় লোকজন বিষয়টি টের পেয়ে ভূরুঙ্গামারী থানা-পুলিশে খবর দেন। পরে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে ভুক্তভোগী যুবতীকে উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায় এবং অভিযান চালিয়ে অভিযুক্ত মোখলেছুর রহমান মিঠুকে আটক করে।

ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে ভূরুঙ্গামারী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আজিম উদ্দিন বলেন, ভুক্তভোগীর অভিযোগের ভিত্তিতে একজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। ভুক্তভোগী মুন্সিগঞ্জের বাসিন্দা। তাঁকে নাচ-গানের জন্য ভাড়া করে আনা হয়েছিল। এ ঘটনায় আজ শুক্রবার মামলা হয়েছে। অন্য আসামিদের গ্রেপ্তার ও মোবাইল ফোন উদ্ধারের চেষ্টা চলছে।