দিনাজপুরের বড়পুকুরিয়া কয়লাখনির কারণে ক্ষতিগ্রস্ত ২ হাজার ২৫টি পরিবারকে ক্ষতিপূরণ ও অনুদান দেওয়ার কার্যক্রম শুরু করেছে বড়পুকুরিয়া কোল মাইনিং কোম্পানি লিমিটেড (বিসিএমসিএল)। খনির ইনফ্লুয়েন্স জোনের বাইরে থাকা ১২টি গ্রামের এসব পরিবারের বাড়িঘরে ফাটলসহ বিভিন্ন ক্ষয়ক্ষতির বিপরীতে মোট ১০ কোটি ২০ লাখ ৪৫ হাজার টাকা দেওয়া হবে।
আজ রোববার সকালে বড়পুকুরিয়া কোল মাইনিং কোম্পানি লিমিটেডের মনমেলা সভাকক্ষে চেক বিতরণ কার্যক্রমের উদ্বোধন করা হয়। প্রাথমিকভাবে প্রতিটি গ্রাম থেকে ১০টি করে মোট ১৩০টি পরিবারের হাতে ক্ষতিপূরণ ও অনুদানের চেক তুলে দেওয়া হয়। পর্যায়ক্রমে তালিকাভুক্ত অন্য পরিবারগুলোকেও চেক দেওয়া হবে।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে ক্ষতিগ্রস্তদের হাতে চেক তুলে দেন সমাজকল্যাণ মন্ত্রী অধ্যাপক ড. এ জেড এম জাহিদ হোসেন। বিসিএমসিএলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক প্রকৌশলী মো. শাহ আলমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন দিনাজপুর-৫ আসনের এমপি এ. জেড. এম. রেজওয়ানুল হক, বাংলাদেশ তেল, গ্যাস ও খনিজসম্পদ করপোরেশনের (পেট্রোবাংলা) চেয়ারম্যান আব্দুল মান্নান, জেলা প্রশাসক রফিকুল ইসলাম এবং পুলিশ সুপার জেদান আল মুসা, পিপিএম।
বিসিএমসিএল সূত্রে জানা যায়, ক্ষতিপূরণ ও অনুদানের আওতায় রয়েছে উত্তর চৌহাটি, চক মহেশপুর, চেরাপাড়া, মোবারকপুর, দক্ষিণ রসুলপুর, মধ্যদুর্গাপুর, কয়লাখনি বাজার, শাহগ্রাম, হামিদপুর, বৈগ্রাম, জব্বারপাড়া ও কাশিয়াডাঙ্গা—এই ১২টি গ্রাম।
কোম্পানি সূত্র আরও জানায়, এসব গ্রামের তালিকাভুক্ত ২ হাজার ২৫টি পরিবারকে বাড়িঘরে ফাটলসহ ক্ষয়ক্ষতির বিপরীতে মোট ১০ কোটি ২০ লাখ ৪৫ হাজার টাকা ক্ষতিপূরণ ও অনুদান দেওয়া হবে। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রতিটি গ্রাম থেকে নির্বাচিত ১০টি পরিবারের হাতে চেক দেওয়ার মধ্য দিয়ে এ কার্যক্রম শুরু হয়েছে। পর্যায়ক্রমে নির্ধারিত তালিকার অন্য পরিবারগুলোর মধ্যেও চেক বিতরণ করা হবে।