জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের মামলায় রাজনৈতিক বা স্বার্থসংশ্লিষ্ট কারণে হয়রানিমূলক এবং উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে বিভিন্নজনকে গণহারে সম্পৃক্ত করা এবং গ্রেপ্তারের ঘটনায় উদ্বেগ ও নিন্দা জানিয়েছে মানবাধিকার সংস্থা বাংলাদেশ লিগ্যাল এইড অ্যান্ড সার্ভিসেস ট্রাস্ট (ব্লাস্ট)।
আজ মঙ্গলবার গণমাধ্যমে পাঠানো বিবৃতিতে এ কথা জানায় সংস্থাটি। গণগ্রেপ্তার এবং হয়রানি বন্ধে সরকারের যথাযথ পদক্ষেপ করার আহ্বান জানিয়েছে সংস্থাটি।
বিবৃতিতে বলা হয়, গত বছরের ৫ আগস্ট গুলিবর্ষণের ঘটনায় ঢাকার মিরপুর এলাকায় মাহফুজ আলম শ্রাবণ (২১) হত্যার অভিযোগে তাঁর ভাই মোস্তাফিজুর রহমান অভিনেতা ইরেশ যাকের ও পেশাদার সাংবাদিকসহ ৪০৮ জনকে আসামি করে ঢাকার মিরপুর থানায় একটি হত্যা মামলা করেন। ঘটনার সঙ্গে সংশ্লিষ্টতা ছাড়া যথাযথ প্রমাণ দাখিল না করে এরূপ ঢালাওভাবে নাম উল্লেখপূর্বক অজ্ঞাতনামা আসামিদের অন্তর্ভুক্ত করে এফআইআর করা হচ্ছে। এভাবে মামলা করা হলে দ্রুত তদন্ত সম্পন্ন এবং প্রকৃত অপরাধীদের বিচার নিশ্চিত করা দুরূহ হয়ে পড়বে বলে অনেকেই আশঙ্কা প্রকাশ করেন।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, বিগত সরকারের আমলে এ ধরনের প্রক্রিয়া লক্ষ করা গেছে এবং জবাবদিহিহীনতার অভিযোগ উঠেছে। বর্তমান পরিপ্রেক্ষিতে এ প্রক্রিয়া পরিবর্তন হওয়া আবশ্যক।
এ অবস্থায়, এ ধরনের হয়রানিমূলক মামলা করা এবং আসামি গ্রেপ্তারের ক্ষেত্রে সুষ্ঠু তদন্তের ওপর গুরুত্ব দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে ব্লাস্ট। সেই সঙ্গে কাউকে হয়রানি না করে নিরপেক্ষ ও যথাযথ প্রমাণ সাপেক্ষে দায়ী ব্যক্তির যথাযথ বিচার নিশ্চিতের দাবি জানিয়েছে সংস্থাটি।