কুমিল্লার লালমাইয়ে সপ্তম শ্রেণির শিক্ষার্থীকে ধর্ষণের পর হত্যার মামলায় গ্রেপ্তার সিএনজিচালিত অটোরিকশাচালক সুমন আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। আজ শনিবার বিকেলে কুমিল্লা চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় তাঁর জবানবন্দি রেকর্ড করা হয়।
আদালত সূত্রে জানা গেছে, আজ শনিবার বেলা সাড়ে ৩টার দিকে সুমনকে কুমিল্লা চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের ৬ নম্বর আমলি আদালতে হাজির করা হয়। বিচারক মমিনুল হক তাঁর জবানবন্দি গ্রহণ করেন।
কুমিল্লা আদালতের পরিদর্শক সাদেকুর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, হত্যার দায় স্বীকার করে আদালতে জবানবন্দি দিয়েছেন সুমন। পরে রাত ৭টা ২০ মিনিটে তাঁকে কুমিল্লা জেলা কারাগারে পাঠানো হয়।
পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, গত বুধবার রাতে পদুয়ার বাজার বিশ্বরোড এলাকা থেকে ৩০০ টাকা ভাড়ায় ওই ছাত্রীকে বাড়িতে পৌঁছে দেওয়ার কথা বলে অটোরিকশায় তোলেন সুমন। পরে তাঁকে লালমাই উপজেলার একটি ফসলি জমিতে নিয়ে ধর্ষণ ও হত্যা করা হয়।
পরদিন বৃহস্পতিবার সকালে লালমাই উপজেলার পেরুল উত্তর ইউনিয়নের জগৎপুর গ্রামের একটি ফসলি জমি থেকে মেয়েটির মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। সে কুমিল্লার একটি স্কুলের সপ্তম শ্রেণির অনিয়মিত শিক্ষার্থী ছিল।
পুলিশ জানায়, হত্যার পর সুমন ওই ছাত্রীর মুঠোফোন নিয়ে চট্টগ্রামে পালিয়ে যান। গতকাল শুক্রবার তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে তাঁর দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে বাখরাবাদ এলাকার একটি জঙ্গল থেকে মুঠোফোনটি উদ্ধার করা হয়।