কুমিল্লার হোমনা থেকে সোনারগাঁয়ের বৈদ্যেরবাজারে বিয়ের অনুষ্ঠানে যাওয়ার পথে মেঘনা নদীতে ঝড়ের কবলে পড়ে ট্রলারডুবির ঘটনায় নিখোঁজ চার জনের সন্ধান মেলেনি। আজ শুক্রবার সকাল থেকে আবারও ডুবুরি দল, কোস্ট গার্ড, নৌ-পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা আবারও উদ্ধার কার্যক্রম শুরু করে। তাঁদের সঙ্গে বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআইডব্লিউটিএ) প্রতিনিধিও যুক্ত হয়।
এর আগে গতকাল বৃহস্পতিবার বেলা তিনটার দিকে সোনারগাঁয়ের বৈদ্যেরবাজার ইউনিয়নের সোনাময়ী এলাকায় আমান সিমেন্ট কোম্পানির কাছাকাছি মেঘনা নদীতে ঝড়ের কবলে পড়ে ট্রলারটি ডুবে যায়।
এতে রায়েসা বেগম (৫৬) নামের এক নারী নিহত হন। স্থানীয়দের সহায়তায় মাঝিসহ আটজন তীরে ওঠেন। কিন্তু একই পরিবারের চারজন নিখোঁজ হন।
নিখোঁজ চারজন হলেন কুমিল্লার হোমনা পৌরসভার শ্রীমদ্দি গ্রামের হেলাল মিয়া (৪৫), তাঁর মেয়ে সামিয়া (১৯), ছেলে সজীব (২২) ও শিশু শামীম (৬)।
জানা গেছে, সোনারগাঁয়ের বৈদ্যেরবাজার ইউনিয়নের হাড়িয়া বৈদ্যপাড়া গ্রামের স্বজনের বিয়ের অনুষ্ঠানে যোগ দিতে গতকাল বেলা ১২টার দিকে হোমনা পৌরসভার শ্রীমদ্দি গাংকুল বাড়িসংলগ্ন তিতাস নদীর তীর থেকে ১৩ জন স্বজন একটি ইঞ্জিনচালিত ট্রলারে রওনা হন। বেলা তিনটার দিকে বৈদ্যেরবাজারের সোনাময়ী এলাকায় পৌঁছালে হঠাৎ ঝড়-বৃষ্টি শুরু হয়। তীব্র বাতাস ও উত্তাল ঢেউয়ে তীরের কাছাকাছি ট্রলারটি ডুবে যায়।
আজকের উদ্ধার কার্যক্রমে ডুবে যাওয়া ট্রলারটির অবস্থান শনাক্ত করা হয়েছে। নদীর মাঝখানে ট্রলারটির সন্ধান পাওয়া গেছে। সেটি উদ্ধারের প্রস্তুতি চলছে।
সোনারগাঁ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ আব্দুল বারিক বলেন, বৃষ্টি ও বাতাসের পাশাপাশি নদীতে স্রোতের কারণে উদ্ধারকাজে কিছুটা সমস্যা হচ্ছে। নদীর মাঝখানে ডুবে যাওয়া ট্রলারের সন্ধান পাওয়া গেছে।