কুমিল্লার দাউদকান্দি উপজেলার গৌরীপুর ইউনিয়নের সরকারপুর গ্রামের খানবাড়ি এলাকা থেকে মো. তোফায়েল আহমেদ (৩৭) নামে এক ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। আজ শুক্রবার সকাল সাড়ে ৭টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। মৃত্যুর সুনির্দিষ্ট কারণ তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি।
নিহত তোফায়েল আহমেদ কুমিল্লা আদর্শ সদর উপজেলার জগন্নাথপুর ইউনিয়নের অরণ্যপুর গ্রামের তাজুল ইসলামের ছেলে।
দাউদকান্দি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ সাজেদুল ইসলাম পলাশ বলেন, ৯৯৯-এর মাধ্যমে খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে তোফায়েল আহমেদের মরদেহ উদ্ধার করে। পরে মরদেহ থানায় নেওয়া হয়। ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হবে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
স্থানীয় বাসিন্দা ও অটোরিকশাচালক মো. মহসিন জানান, সকাল ৯টার দিকে তোফায়েলের মৃত্যুর খবর পেয়ে তিনি ঘটনাস্থলে যান। সেখানে তোফায়েলকে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পান। তবে কী কারণে এমন ঘটনা ঘটেছে, তা তিনি জানেন না।
নিহতের স্ত্রী মোর্শেদা বেগম (৩৫) জানান, ভোররাতে তোফায়েল বাড়িতে ফেরেন। রাতে বাড়িতে না ফেরায় তিনি মুঠোফোনে স্বামীকে বকাঝকা করেছিলেন। ফজরের পর তোফায়েল ঘরে ফেরেন। পরে সকাল ৭টার দিকে ঘুম থেকে উঠে পাশের কক্ষের দরজা খুললে তাঁকে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পান।
মোর্শেদা বেগম জানান, তোফায়েলের দুটি বিয়ে ছিল। তাঁর আরেক স্ত্রী গ্রামের বাড়িতে থাকেন এবং তিনি বাবার বাড়িতে থাকতেন। দুই স্ত্রীই তোফায়েলের সঙ্গে সংসার করতেন। তবে তাঁর সঙ্গে তোফায়েলের বড় কোনো ঝগড়া বা বিরোধ ছিল না বলে জানান তিনি।
মোর্শেদা বেগম সরকারপুর গ্রামের খানবাড়ি এলাকার মৃত জাহাঙ্গীর আলমের মেয়ে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, তোফায়েল আহমেদের মৃত্যুর সুনির্দিষ্ট কারণ তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি। পারিবারিক কোনো বিরোধের কারণে এ ঘটনা ঘটেছে কি না, সেটিও নিশ্চিত নয়। মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানতে পুলিশ বিষয়টি তদন্ত করছে।