হোম > সারা দেশ > চুয়াডাঙ্গা

চুয়াডাঙ্গার আলমডাঙ্গায় ব্যবসায়ীকে ডেকে নিয়ে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ

চুয়াডাঙ্গা প্রতিনিধি­

চুয়াডাঙ্গার আলমডাঙ্গায় ব্যবসায়ীকে ডেকে নিয়ে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ। ছবি: আজকের পত্রিকা

চুয়াডাঙ্গার আলমডাঙ্গা উপজেলায় হারদী ইউনিয়নের ওসমানপুর গ্রামে চয়ন (৪৫) নামের এক পেঁয়াজু ও আলুর চপ বিক্রেতাকে নির্যাতন করে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনার পর নিহত চয়নের মরদেহটি উদ্ধার করেছে পুলিশ।

আজ মঙ্গলবার বেলা সাড়ে ৩টার দিকে অজ্ঞাতনামা এক ভ্যানচালক নিহত চয়নের মরদেহ আলমডাঙ্গার হারদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে রেখে গেছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। নিহত চয়নের স্বজনদের দাবি, চয়নকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়েছে। ​নিহত চয়ন আলমডাঙ্গা উপজেলার হারদী ইউনিয়নের কৃষি ক্লাবপাড়ার গদোর আলীর ছেলে। তিনি প্রতিদিন পেঁয়াজু ও আলুর চপ বিক্রি করে সংসার চালাতেন।

​নিহত চয়নের স্বজনদের অভিযোগ, আজ বেলা ১১টার দিকে মোবাইল ফোনে চয়নকে নিজ বাড়িতে ডেকে নেন পার্শ্ববর্তী ওসমানপুর গ্রামের হেলাল নামের একজন। সেখানে তাঁকে আটকে মারধর করা হয়। পরে চয়নের ছেলে মারুফকে ফোন করে তাঁর বাবার কাছে টাকা পাওনা রয়েছে বলে জানানো হয়। একই সঙ্গে মারুফ ও তাঁর দাদাকে তিনটি স্ট্যাম্প কিনে হেলালের বাড়িতে যেতে বলা হয়।

দুপুরের দিকে মারুফ ও তাঁর দাদা সেখানে গেলে তাঁদের জানানো হয়, চয়ন আত্মহত্যা করে মারা গেছেন। পরে একটি ভ্যানে করে চয়নের মরদেহ হারদী স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। সেখানে মরদেহ রেখে ভ্যানচালক চলে যান।

চয়নের ছেলে মারুফ বলেন, ‘আমার বাবাকে বাড়িতে ডেকে নিয়ে হত্যা করা হয়েছে। হেলালের পরিবারের সঙ্গে আমাদের পারিবারিক সম্পর্ক ছিল। তাদের সঙ্গে কোনো আর্থিক লেনদেন ছিল কি না, তা আমি জানি না। টাকাপয়সার কোনো লেনদেন থাকলেও আমরা তা পরিশোধ করতাম। কিন্তু এ জন্য তাঁকে কেন পিটিয়ে হত্যা করা হলো?’

হারদী স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক রুবায়েদ হাসান বলেন, হাসপাতালে আনার আগেই চয়নের মৃত্যু হয়েছে। তাঁর শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে।

আলমডাঙ্গা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রাকিবুল ইসলাম বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। মরদেহের সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরির পর ময়নাতদন্তের জন্য চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।