ভোলায় নাজিউর রহমান কলেজের অধ্যক্ষ মো. মহিউদ্দিনের ওপর সন্ত্রাসী হামলার প্রতিবাদ এবং জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন জেলার স্কুল, কলেজ ও মাদ্রাসার শিক্ষক নেতারা।
আজ বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) সকালে ভোলা প্রেসক্লাবে ‘ভোলা জেলার স্কুল-কলেজ ও মাদ্রাসার শিক্ষক সমাজ’-এর ব্যানারে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব দাবি জানানো হয়।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন বাংলাদেশ জমিয়াতুল মোদার্রেছীনের সাধারণ সম্পাদক ও ভোলা আলিয়া মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মো. মোবাশ্বিরুল হক। সংবাদ সম্মেলন শেষে শিক্ষকেরা জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপারের কাছে স্মারকলিপি দেন।
সংবাদ সম্মেলনে শিক্ষক নেতারা বলেন, অধ্যক্ষ মো. মহিউদ্দিনের ওপর হামলার ঘটনায় মনপুরা থানায় মো. সেলিমসহ ৮ জনকে আসামি করে মামলা করা হয়েছে। তবে এখন পর্যন্ত কোনো আসামিকে গ্রেপ্তার করতে পারেনি পুলিশ। অবিলম্বে ঘটনায় জড়িতদের গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনার জোর দাবি জানান তাঁরা।
সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ কলেজ শিক্ষক সমিতি ভোলা জেলার নেতা মো. সফিকুল ইসলাম, বাংলাদেশ শিক্ষক সমিতি ভোলা জেলা শাখার যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক তোফায়েল আহমদ, বাংলাদেশ জমিয়াতুল মোদার্রেছীন ভোলা জেলা শাখার সহসম্পাদক মো. ফয়জুল্লাহ, উম্মে কুলসুম মহিলা মাদ্রাসার সুপার মো. আ. রহমান চৌধুরী, ভোলা সদর উপজেলা শিক্ষক সমিতির সভাপতি মো. মেসবাহউদ্দিন আহম্মদ, দ. রুহিতা এ রহমানিয়া দাখিল মাদ্রাসার সুপার এ কে এম মুসা কালিমুল্লাহ, জেলা স্কুল, কলেজ মাদ্রাসা সমন্বয় পরিষদের যুগ্ম আহ্বায়ক এম ডি মোস্তাফিজুর রহমান, নাজিউর রহমান কলেজের সহকারী অধ্যাপক জুন্নু রায়হান প্রমুখ।
সার্বিক বিষয়ে মনপুরা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মাজহারুল ইসলাম আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘অধ্যক্ষ মহিউদ্দিনের ওপর হামলার ঘটনার মূল অভিযুক্ত দুজন—সেলিম ও রুবেল। মামলায় তাঁদেরসহ মোট ৮ জনকে আসামি করা হয়েছে। আসামিদের গ্রেপ্তারে পুলিশ অভিযান চালাচ্ছে।’
প্রসঙ্গত, গত ২০ সেপ্টেম্বর মনপুরা উপজেলা মসজিদে এশার নামাজ পড়তে গেলে পূর্বশত্রুতার জেরে অধ্যক্ষ মহিউদ্দিনের ওপর হামলা চালায় দুর্বৃত্তরা। ওই ঘটনার প্রতিবাদে পরদিন ২১ সেপ্টেম্বর সকালে ভোলা সদর উপজেলার পরানগঞ্জ এলাকায় নাজিউর রহমান কলেজের সামনে সড়ক অবরোধ ও বিক্ষোভ মিছিল করেন সাধারণ শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা।