ভোলার দৌলতখানে নিখোঁজের দুই দিন পর ফয়েজ (২৫) নামের এক মানসিক প্রতিবন্ধী ও মৃগী রোগে আক্রান্ত যুবকের ভাসমান মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। আজ রোববার সকাল সাড়ে ৮টার দিকে উপজেলার চরখলিফা ইউনিয়নের তালুকদার বাড়ির মাদ্রাসা-সংলগ্ন একটি পুকুর থেকে তাঁর মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
নিহত ফয়েজ উপজেলার দক্ষিণ জয়নগর ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের মৃত শফিজল হকের ছেলে।
পুলিশ ও পরিবার সূত্রে জানা গেছে, আজ রোববার সকালে চরখলিফা ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডে মাদ্রাসার পাশের পুকুরে স্থানীয়রা এক যুবকের মরদেহ ভাসতে দেখেন। পরে খবর পেয়ে দৌলতখান থানা-পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে। সংবাদ পেয়ে নিহত ফয়েজের ভাই আব্দুল আজিজ নিরব ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ শনাক্ত করেন।
নিহতের বড় ভাই আব্দুল আজিজ জানান, ফয়েজ মানসিক প্রতিবন্ধী ও মৃগী রোগে আক্রান্ত ছিলেন। পাশাপাশি তিনি সাঁতারও জানতেন না।
আব্দুল আজিজ বলেন, সে প্রায়ই বাড়ি থেকে না বলে চলে যেত এবং চার-পাঁচ দিন পর নিজে থেকেই ফিরত। গত দুই দিন তাঁকে না পেয়ে স্বজনদের বাড়িসহ বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করি। ভেবেছিলাম এবারও হয়তো আগের মতো ফিরে আসবে।
স্বজনেরা জানান, এর আগেও একবার ফয়েজ পুকুরের পানিতে পড়ে গিয়েছিলেন। সে সময় তাঁর মা তাঁকে উদ্ধার করেন এবং ভোলা সদর হাসপাতালে ১০-১৫ দিন চিকিৎসার পর তিনি সুস্থ হন।
দৌলতখান থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. ফকরুল ইসলাম বলেন, মরদেহ উদ্ধার করে সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করা হয়েছে। প্রাথমিকভাবে এটি একটি দুর্ঘটনা বলে ধারণা করা হচ্ছে। পরিবারের পক্ষ থেকে কোনো অভিযোগ পাওয়া যায়নি। এ ঘটনায় থানায় একটি অপমৃত্যুর মামলা করা হয়েছে। আইনি প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে।