বরিশাল সদর উপজেলার শায়েস্তাবাদ ইউনিয়নের আটহাজার গ্রামে শাশুড়ি রুনু বেগমকে (৬২) শ্বাসরোধে হত্যার অভিযোগ উঠেছে পুত্রবধূর বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় পুত্রবধূ ফাতেমা বেগমকে (২৬) আটক করেছে কাউনিয়া থানা-পুলিশ। আজ বৃহস্পতিবার পেশকার বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে।
নিহত রুনু বেগম ওই গ্রামের খলিল পেশকারের স্ত্রী। আটক ফাতেমা খলিল পেশকারের ছেলে রেদওয়ান পেশকারের স্ত্রী। ফাতেমার বাবার বাড়ি পটুয়াখালীর গলাচিপা এলাকায়।
কাউনিয়া থানার সহকারী উপপরিদর্শক শরীফ বলেন, ‘পারিবারিক বিষয় নিয়ে ফাতেমা বেগম ও তাঁর শাশুড়ি রুনু বেগমের মধ্যে ঝগড়া শুরু হয়। পারিবারিক বিরোধের বিষয়টি প্রাথমিকভাবে জানা গেছে। তবে রুনু বেগমের মৃত্যুর প্রকৃত কারণ কী এবং ঘটনায় কারও দায় রয়েছে কি না, তা তদন্তের পর নিশ্চিত হওয়া যাবে।’
স্থানীয়দের ভাষ্য, ঝগড়ার সময় ফাতেমা বেগম তাঁর শাশুড়ি রুনু বেগমের গলা চেপে ধরেন। এতে শ্বাসরোধ হয়ে ঘটনাস্থলেই রুনু বেগমের মৃত্যু হয়।
খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে বাড়ি থেকে রুনু বেগমের মরদেহ উদ্ধার করে। পরে ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়। ফাতেমা বেগমকে আটক করে থানায় নেওয়া হয়েছে।
বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের কাউনিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সঞ্জিৎ চন্দ্র নাথ বলেন, বউ-শাশুড়ির ঝগড়া ও মারামারির একপর্যায়ে রুনু বেগম তাঁর পুত্রবধূ ফাতেমার হাতের একটি আঙুল কামড়ে ধরেন। এ সময় ফাতেমা তাঁর শাশুড়ির গলা চেপে ধরলে শ্বাসরোধ হয়ে তিনি মারা যান বলে স্থানীয়রা জানিয়েছেন।
সঞ্জিৎ চন্দ্র নাথ আরও বলেন, পুরো ঘটনার তদন্ত চলছে। মৃত্যুর প্রকৃত কারণ উদ্ঘাটনে রুনু বেগমের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হবে।